চরচা ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে এখন থেকে কোনো মাশুল বা ফি দিতে হবে না। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি।
রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি জানান, ইরান সরকার নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য বিশেষ নৌ-সুবিধা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা কিছু নির্দিষ্ট দেশের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ করে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য এই সুবিধা নিশ্চিত করতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে কাজ করে যাচ্ছে।” এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আসা দেশগুলোর তালিকায় প্রধান দেশ হিসেবে তিনি রাশিয়ার নাম উল্লেখ করেন। তবে ভবিষ্যতে এই তালিকার পরিধি আরও বাড়বে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো মন্তব্য না করে বলেন, “ভবিষ্যতে কী হবে তা আমি এখনই জানি না।”
ভৌগোলিকভাবে হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ওমান ও ইরানের মাঝখানে অবস্থিত এই প্রণালিটি নিয়ন্ত্রণে রাখা ইরানের জন্য এক বিশাল সামরিক ও রাজনৈতিক হাতিয়ার।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই সিদ্ধান্ত কেবল একটি অর্থনৈতিক ছাড় নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা। মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে যে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে, তাতে রাশিয়া ও ইরানের এই ঐক্য ওয়াশিংটনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে এখন থেকে কোনো মাশুল বা ফি দিতে হবে না। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি।
রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি জানান, ইরান সরকার নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য বিশেষ নৌ-সুবিধা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা কিছু নির্দিষ্ট দেশের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ করে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য এই সুবিধা নিশ্চিত করতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে কাজ করে যাচ্ছে।” এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আসা দেশগুলোর তালিকায় প্রধান দেশ হিসেবে তিনি রাশিয়ার নাম উল্লেখ করেন। তবে ভবিষ্যতে এই তালিকার পরিধি আরও বাড়বে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো মন্তব্য না করে বলেন, “ভবিষ্যতে কী হবে তা আমি এখনই জানি না।”
ভৌগোলিকভাবে হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ওমান ও ইরানের মাঝখানে অবস্থিত এই প্রণালিটি নিয়ন্ত্রণে রাখা ইরানের জন্য এক বিশাল সামরিক ও রাজনৈতিক হাতিয়ার।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই সিদ্ধান্ত কেবল একটি অর্থনৈতিক ছাড় নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা। মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে যে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে, তাতে রাশিয়া ও ইরানের এই ঐক্য ওয়াশিংটনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।