চরচা ডেস্ক

হামের টিকাদান কর্মসূচিতে যে ঘাটতি বা ব্যর্থতা তৈরি হয়েছে, তার কারণগুলো ইতিমধ্যে জানা থাকায় এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
আজ রোববার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “এখানে যে অবহেলা ছিল, তা আমরা কোনো সন্দেহ ছাড়াই বলতে পারি। তাদের অবহেলার কারণে ২০২৪-২৫ সালের নির্ধারিত টিকাদান পর্বটি সম্পূর্ণভাবে বাদ পড়েছে। হ্যাঁ, কোনো ভ্যাকসিন কেনা (সংগ্রহ) হয়নি। একইভাবে, পরিবার পরিকল্পনার জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীও সংগ্রহ করা হয়নি। এটি প্রমাণ করার জন্য কোনো তদন্তের প্রয়োজন নেই।”
পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রাইয়েনিয়াল কংগ্রেসে অংশগ্রহণসহ এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের সাম্প্রতিক ইউরোপ সফরের ফলাফল জানাতে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, এই সমস্যাটি তৈরি হয়েছে মূলত কর্মসূচিটিকে ‘অপারেশনাল প্ল্যান’ (ওপি) থেকে পরিবর্তন করে ‘ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল’ বা ডিপিপিতে রূপান্তর করার কারণে।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, “আমরা জানি আসলে কী ঘটেছিল। কর্মসূচিটি অপারেশনাল প্ল্যান থেকে একটি ডিপিপিতে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় হয়তো ধরে নেওয়া হয়েছিল যে ডিপিপিগুলো এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে অনুমোদিত হয়ে যাবে এবং তহবিল পাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে, এক বছরের মধ্যেও অনেক ডিপিপি সঠিকভাবে তৈরিই করা যায়নি, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পাওয়া বা প্রকল্প অফিস স্থাপন তো দূরের কথা।”
হায়দার জানান, সরকার পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী এবং অন্যান্য জরুরি স্বাস্থ্য সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

হামের টিকাদান কর্মসূচিতে যে ঘাটতি বা ব্যর্থতা তৈরি হয়েছে, তার কারণগুলো ইতিমধ্যে জানা থাকায় এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
আজ রোববার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “এখানে যে অবহেলা ছিল, তা আমরা কোনো সন্দেহ ছাড়াই বলতে পারি। তাদের অবহেলার কারণে ২০২৪-২৫ সালের নির্ধারিত টিকাদান পর্বটি সম্পূর্ণভাবে বাদ পড়েছে। হ্যাঁ, কোনো ভ্যাকসিন কেনা (সংগ্রহ) হয়নি। একইভাবে, পরিবার পরিকল্পনার জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীও সংগ্রহ করা হয়নি। এটি প্রমাণ করার জন্য কোনো তদন্তের প্রয়োজন নেই।”
পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রাইয়েনিয়াল কংগ্রেসে অংশগ্রহণসহ এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের সাম্প্রতিক ইউরোপ সফরের ফলাফল জানাতে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, এই সমস্যাটি তৈরি হয়েছে মূলত কর্মসূচিটিকে ‘অপারেশনাল প্ল্যান’ (ওপি) থেকে পরিবর্তন করে ‘ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল’ বা ডিপিপিতে রূপান্তর করার কারণে।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, “আমরা জানি আসলে কী ঘটেছিল। কর্মসূচিটি অপারেশনাল প্ল্যান থেকে একটি ডিপিপিতে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় হয়তো ধরে নেওয়া হয়েছিল যে ডিপিপিগুলো এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে অনুমোদিত হয়ে যাবে এবং তহবিল পাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে, এক বছরের মধ্যেও অনেক ডিপিপি সঠিকভাবে তৈরিই করা যায়নি, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পাওয়া বা প্রকল্প অফিস স্থাপন তো দূরের কথা।”
হায়দার জানান, সরকার পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী এবং অন্যান্য জরুরি স্বাস্থ্য সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।