চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশু কী কারণে মারা গেছে তা এখনও জানা যায়নি। শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, এসির গ্যাস লিকেজ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে সরেজমিনে ওয়ার্ড পরিদর্শন করে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, বিছানাগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। ওয়ার্ডের এসি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে। তবে রাতে ওয়ার্ডের এসি বন্ধ রাখা হয়েছিলো বলে অভিযোগ করছেন স্বজনরা। অন্যদিকে ওয়ার্ডে বাতাস চলাচলের কোন সুযোগ নেই, সঙ্গে রয়েছে তেলাপোকা ও ছাড়পোকার অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ।
এদিকে, মৃত শিশুদের স্বজনদের দাবি, এসির গ্যাস লিকেজ থেকেই এক থেকে দুই দিন বয়সী শিশুরা মারা গেছে। তাদের অভিযোগ, রাতে ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স ছিল না। বাচ্চারা সারা রাত কান্না করছিল এবং একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ছিল।
এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতালের পরিবেশ।
আজ বুধবার ভোরে মগবাজারের এই হাসপাতালটিতে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন জানান, ওয়ার্ডে ১১ শিশু গুরুতর অসুস্থ হয়েছিল। এরমধ্যে ৬ জন মারা গেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি কেন ঘটল তা জানতে পুলিশ কাজ করছে।
শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে আলামত সংগ্রহ করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা।

রাজধানীর আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশু কী কারণে মারা গেছে তা এখনও জানা যায়নি। শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, এসির গ্যাস লিকেজ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে সরেজমিনে ওয়ার্ড পরিদর্শন করে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, বিছানাগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। ওয়ার্ডের এসি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে। তবে রাতে ওয়ার্ডের এসি বন্ধ রাখা হয়েছিলো বলে অভিযোগ করছেন স্বজনরা। অন্যদিকে ওয়ার্ডে বাতাস চলাচলের কোন সুযোগ নেই, সঙ্গে রয়েছে তেলাপোকা ও ছাড়পোকার অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ।
এদিকে, মৃত শিশুদের স্বজনদের দাবি, এসির গ্যাস লিকেজ থেকেই এক থেকে দুই দিন বয়সী শিশুরা মারা গেছে। তাদের অভিযোগ, রাতে ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স ছিল না। বাচ্চারা সারা রাত কান্না করছিল এবং একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ছিল।
এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতালের পরিবেশ।
আজ বুধবার ভোরে মগবাজারের এই হাসপাতালটিতে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন জানান, ওয়ার্ডে ১১ শিশু গুরুতর অসুস্থ হয়েছিল। এরমধ্যে ৬ জন মারা গেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি কেন ঘটল তা জানতে পুলিশ কাজ করছে।
শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে আলামত সংগ্রহ করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা।