চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশে ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ক্ষতিকারক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে মেটা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। বিশেষ করে ভারতের বিভিন্ন উৎস থেকে ছড়ানো উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং গণমাধ্যমের ওপর সহিংসতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
অ্যামনেস্টি জানায়, ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনলাইনে বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও রাজনৈতিক দলগুলো সম্পর্কে উসকানিমূলক প্রচারণা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, এসব কনটেন্টের বড় একটি অংশ বাংলাদেশের বাইরে থেকে, বিশেষ করে ভারত থেকে ছড়ানো হচ্ছে। এটি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর মব কর্তৃক দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার ঘটনাকে অনলাইন অপপ্রচারের সরাসরি ফল হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। তদন্ত অনুযায়ী, হামলার কয়েক মাস আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংবাদমাধ্যমগুলোকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ ও ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে হামলার ডাক দেওয়া হচ্ছিল। মেটা-কে এসব ক্ষতিকারক পোস্ট সরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সতর্ক করলেও তারা ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হেড অব বিগ টেক অ্যাকাউন্টেবিলিটি আলিয়া আল গুসেইন বলেন, “অনলাইন জগতের ক্ষতি শুধু ডিজিটাল স্পেসেই সীমাবদ্ধ থাকে না, এটি বাস্তব জগতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।” সংস্থাটি মনে করে, মেটার নজরদারি-ভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেল বেশি সম্পৃক্ততা পাওয়ার আশায় অনেক সময় উসকানিমূলক ও মেরুকরণকারী কনটেন্টকে বেশি প্রচার করে। ইতিপূর্বে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যা এবং ইথিওপিয়ার সংঘাতের ক্ষেত্রেও মেটার অ্যালগরিদম নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছিল।”
২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনের পর তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে বাংলাদেশে তার মৃত্যুদণ্ড হলেও ভারত তাকে হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানানোতে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। এই অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে অনলাইন অপপ্রচার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জরুরি ভিত্তিতে মেটাকে ‘ব্রেক দ্য গ্লাস’ বা জরুরি প্রশমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংস্থাটির চিঠির কোনো সদুত্তর দেয়নি মেটা। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর মডারেশন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা মেটার আবশ্যিক দায়িত্ব বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

বাংলাদেশে ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ক্ষতিকারক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে মেটা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। বিশেষ করে ভারতের বিভিন্ন উৎস থেকে ছড়ানো উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং গণমাধ্যমের ওপর সহিংসতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
অ্যামনেস্টি জানায়, ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনলাইনে বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও রাজনৈতিক দলগুলো সম্পর্কে উসকানিমূলক প্রচারণা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, এসব কনটেন্টের বড় একটি অংশ বাংলাদেশের বাইরে থেকে, বিশেষ করে ভারত থেকে ছড়ানো হচ্ছে। এটি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর মব কর্তৃক দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার ঘটনাকে অনলাইন অপপ্রচারের সরাসরি ফল হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। তদন্ত অনুযায়ী, হামলার কয়েক মাস আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংবাদমাধ্যমগুলোকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ ও ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে হামলার ডাক দেওয়া হচ্ছিল। মেটা-কে এসব ক্ষতিকারক পোস্ট সরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সতর্ক করলেও তারা ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হেড অব বিগ টেক অ্যাকাউন্টেবিলিটি আলিয়া আল গুসেইন বলেন, “অনলাইন জগতের ক্ষতি শুধু ডিজিটাল স্পেসেই সীমাবদ্ধ থাকে না, এটি বাস্তব জগতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।” সংস্থাটি মনে করে, মেটার নজরদারি-ভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেল বেশি সম্পৃক্ততা পাওয়ার আশায় অনেক সময় উসকানিমূলক ও মেরুকরণকারী কনটেন্টকে বেশি প্রচার করে। ইতিপূর্বে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যা এবং ইথিওপিয়ার সংঘাতের ক্ষেত্রেও মেটার অ্যালগরিদম নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছিল।”
২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনের পর তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে বাংলাদেশে তার মৃত্যুদণ্ড হলেও ভারত তাকে হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানানোতে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। এই অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে অনলাইন অপপ্রচার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জরুরি ভিত্তিতে মেটাকে ‘ব্রেক দ্য গ্লাস’ বা জরুরি প্রশমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংস্থাটির চিঠির কোনো সদুত্তর দেয়নি মেটা। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর মডারেশন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা মেটার আবশ্যিক দায়িত্ব বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।