চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্য কোথাও মব দেখলে তা প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। আজ শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম দিনের আপিল শুনানি শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, "সরকারের যত সক্ষমতা আছে সেনাবাহিনী, পুলিশ, প্রশাসন সবাইকে এখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য কাজ করতে হবে। যেখানেই মব সেখানেই প্রতিরোধ-এই নীতিতে সরকারকে এবং নির্বাচন কমিশনকে চলতে হবে।”
শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট নিরপেক্ষতার সাথে কাজ করার চেষ্টা করছে। কমিশনের এ নিরপেক্ষতা আমরা মাঠে দেখতে চাই। নির্বাচন কমিশন যে দৃঢ়তা দেখাচ্ছেন, আমরা চাই ১৭ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ওই দৃঢ়তা দেখাবে।”
নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে শামীম হায়দার আরও বলেন, “এই ভোটটি সুষ্ঠ হওয়া জাতির জন্য প্রয়োজন। এই ভোট সুষ্ঠ না হলে দেশে গৃহযুদ্ধ হতে পারে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য বাড়তে পারে, দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হতে পারে। এই ভোটটি দেশকে বাঁচাতে পারে, যদি সুষ্ঠু ভোট হয়।”
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া জাতীয় পার্টির বিভিন্ন আসনের ২৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছিলেন। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রথম দিনে ১২ জন প্রার্থীর আপিল শুনানি নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আপিল শুনানি শেষে ওই ১২ জনের মধ্যে ১০ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন— শরীয়তপুর-৩ আসনের এম এ হান্নান, নরসিংদী-১ আসনের এডভোকেট মোহাম্মদ জামান বেবী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মো. সালাহউদ্দিন খোকা, গাজীপুর-১ আসনের এডভোকেট এস এম শফিকুল ইসলাম বাবুল, চাঁদপুর-১ আসনের মো. হাবিব খান, মাগুড়া-২ আসনের মশিউর রহমান, খুলনা-৫ আসনের মোসাম্মেদ শামীম আরা পারভীন ইয়াসমিন, কুড়িগ্রাম-২ আসনের মনির উদ্দিন আহমেদ, ঝালকাঠি-১ আসনের মো. কামরুজ্জামান খান এবং নড়াইল-২ আসনের এডভোকেট ফাইকুজ্জামান ফিরোজ।
এ ছাড়া দুই প্রার্থীর আপিল খারিজ হয়েছে বলে জানান জাপা মহাসচিব। বিষয়টি নিয়ে শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, “রংপুর-১ আসনের ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মঞ্জুর আলী ও ঢাকা-২ আসনের মোহাম্মদ ফারুকের মনোনয়ন বৈধ হয়নি। এই দুজনের জন্য আমরা উচ্চ আদালতে রিট করব।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্য কোথাও মব দেখলে তা প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। আজ শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম দিনের আপিল শুনানি শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, "সরকারের যত সক্ষমতা আছে সেনাবাহিনী, পুলিশ, প্রশাসন সবাইকে এখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য কাজ করতে হবে। যেখানেই মব সেখানেই প্রতিরোধ-এই নীতিতে সরকারকে এবং নির্বাচন কমিশনকে চলতে হবে।”
শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট নিরপেক্ষতার সাথে কাজ করার চেষ্টা করছে। কমিশনের এ নিরপেক্ষতা আমরা মাঠে দেখতে চাই। নির্বাচন কমিশন যে দৃঢ়তা দেখাচ্ছেন, আমরা চাই ১৭ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ওই দৃঢ়তা দেখাবে।”
নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে শামীম হায়দার আরও বলেন, “এই ভোটটি সুষ্ঠ হওয়া জাতির জন্য প্রয়োজন। এই ভোট সুষ্ঠ না হলে দেশে গৃহযুদ্ধ হতে পারে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য বাড়তে পারে, দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হতে পারে। এই ভোটটি দেশকে বাঁচাতে পারে, যদি সুষ্ঠু ভোট হয়।”
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া জাতীয় পার্টির বিভিন্ন আসনের ২৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছিলেন। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রথম দিনে ১২ জন প্রার্থীর আপিল শুনানি নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আপিল শুনানি শেষে ওই ১২ জনের মধ্যে ১০ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন— শরীয়তপুর-৩ আসনের এম এ হান্নান, নরসিংদী-১ আসনের এডভোকেট মোহাম্মদ জামান বেবী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মো. সালাহউদ্দিন খোকা, গাজীপুর-১ আসনের এডভোকেট এস এম শফিকুল ইসলাম বাবুল, চাঁদপুর-১ আসনের মো. হাবিব খান, মাগুড়া-২ আসনের মশিউর রহমান, খুলনা-৫ আসনের মোসাম্মেদ শামীম আরা পারভীন ইয়াসমিন, কুড়িগ্রাম-২ আসনের মনির উদ্দিন আহমেদ, ঝালকাঠি-১ আসনের মো. কামরুজ্জামান খান এবং নড়াইল-২ আসনের এডভোকেট ফাইকুজ্জামান ফিরোজ।
এ ছাড়া দুই প্রার্থীর আপিল খারিজ হয়েছে বলে জানান জাপা মহাসচিব। বিষয়টি নিয়ে শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, “রংপুর-১ আসনের ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মঞ্জুর আলী ও ঢাকা-২ আসনের মোহাম্মদ ফারুকের মনোনয়ন বৈধ হয়নি। এই দুজনের জন্য আমরা উচ্চ আদালতে রিট করব।”