Advertisement Banner

ঈদের নামাজের স্থান নিয়ে কুষ্টিয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১৩

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
ঈদের নামাজের স্থান নিয়ে কুষ্টিয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১৩
সংঘর্ষে আহত। ছবি: ইউএনবি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ঈদের নামাজ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে-মসজিদে না ঈদগাহ মাঠে এই বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নন্দলালপুর ইউনিয়নের চর এলঙ্গী আচার্য গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন–রুবেল হোসেন, গফুর, আলম, শাকিল, রিপন, সরোয়ার, আশরাফুল, শাহিন, জিয়া, মুসা, মন্টু, জুয়েল ও ফিরোজা খাতুন। তারা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন আছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গড়াই নদীর চরের এই গ্রামে প্রায় ১২০টি পরিবার বসবাস করে। সেখানে একটি জামে মসজিদ ও একটি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। ঈদের দিন সকাল থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির কারণে ঈদগাহ কমিটি নামাজের সময় সাড়ে ৮টা থেকে পিছিয়ে সাড়ে ৯টায় নির্ধারণ করে। তবে একপক্ষ মসজিদে নামাজ শুরু করলে অন্যপক্ষ ঈদগাহে যাওয়ার আহ্বান জানায়। এ নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।

উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংঘর্ষের পর কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের কারণে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি স্থানীয় স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, “বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নামাজ আর অনুষ্ঠিত হয়নি।”

ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে সময় পরিবর্তন করা হলেও একপক্ষ তা মানেনি, ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে প্রায় ৪৫০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় থেকে বঞ্চিত হন।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত