চরচা প্রতিবেদক

পূর্ববিরোধের জের ধরে বিএনপি কর্মী রানা মিয়া (৩৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জামায়াত নেতার ছেলেসহ ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পূর্ববিরোধে কথা কাটাকাটির জের ধরে আসামিদের সংঘবদ্ধ হামলায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য জানানো যাবে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম ওরফে মফিদুল মাস্টারের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম মাহিন (২০), স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন (৪০), হুমায়ুন কবীর আকাশ (২৩) এবং মনিরুল ইসলাম (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের চর ঈশ্বরদিয়া এলাকার একটি মুদি দোকানের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় রানা মিয়া তার ভাইকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. মোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
নিহত রানার স্বজনরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে কাজ করে ধানের শীষে ভোট দিয়েছিলেন নিহত রানা ও তার পরিবারের সদস্যরা। এরপর থেকেই প্রতিবেশী জামায়াত নেতা মফিদুল মাস্টার ও তার লোকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল।

পূর্ববিরোধের জের ধরে বিএনপি কর্মী রানা মিয়া (৩৩) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জামায়াত নেতার ছেলেসহ ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পূর্ববিরোধে কথা কাটাকাটির জের ধরে আসামিদের সংঘবদ্ধ হামলায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য জানানো যাবে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম ওরফে মফিদুল মাস্টারের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম মাহিন (২০), স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন (৪০), হুমায়ুন কবীর আকাশ (২৩) এবং মনিরুল ইসলাম (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের চর ঈশ্বরদিয়া এলাকার একটি মুদি দোকানের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় রানা মিয়া তার ভাইকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. মোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
নিহত রানার স্বজনরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে কাজ করে ধানের শীষে ভোট দিয়েছিলেন নিহত রানা ও তার পরিবারের সদস্যরা। এরপর থেকেই প্রতিবেশী জামায়াত নেতা মফিদুল মাস্টার ও তার লোকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল।