চরচা প্রতিবেদক

তেজগাঁও কলেজ ছাত্রাবাসে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থীরা। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে আলোচনার পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
আজ রোববার দুপুরে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে মানিক মিয়া এভিনিউ, কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের এলাকায় যানজট হয়। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ফার্মগেট মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে সড়ক বন্ধ করে স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সাকিবুলকে হত্যা করেছে। কিন্তু ঘটনার এক মাস পার হলেও মূল আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পুলিশ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ‘’গত ৬ ডিসেম্বর রাতে ছাত্রাবাসে সাকিবুল হাসানের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। ১১ ডিসেম্বর সড়ক অবরোধের সময় পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি।‘’
তিনি আরও বলেন, কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তরুণ ও সাধারণ সম্পাদক সেলিমসহ অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
এ সময় শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন–আসামি গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালু রাখা, স্বরাষ্ট্র ও আইন উপদেষ্টাদের সঙ্গে সংলাপ, এবং ছয় ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে কলেজ অধ্যক্ষের পদত্যাগ নিশ্চিত করা।
এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৈশন্যু মারমা জানান, শিক্ষার্থীদের ছয় সদস্যের দলকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পরে আলোচনা শেষে দুপুর দুইটার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তেজগাঁও কলেজ ছাত্রাবাসে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থীরা। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে আলোচনার পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
আজ রোববার দুপুরে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে মানিক মিয়া এভিনিউ, কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের এলাকায় যানজট হয়। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ফার্মগেট মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে সড়ক বন্ধ করে স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সাকিবুলকে হত্যা করেছে। কিন্তু ঘটনার এক মাস পার হলেও মূল আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পুলিশ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ‘’গত ৬ ডিসেম্বর রাতে ছাত্রাবাসে সাকিবুল হাসানের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। ১১ ডিসেম্বর সড়ক অবরোধের সময় পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি।‘’
তিনি আরও বলেন, কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তরুণ ও সাধারণ সম্পাদক সেলিমসহ অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
এ সময় শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন–আসামি গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালু রাখা, স্বরাষ্ট্র ও আইন উপদেষ্টাদের সঙ্গে সংলাপ, এবং ছয় ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে কলেজ অধ্যক্ষের পদত্যাগ নিশ্চিত করা।
এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৈশন্যু মারমা জানান, শিক্ষার্থীদের ছয় সদস্যের দলকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পরে আলোচনা শেষে দুপুর দুইটার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।