চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীতে মূর্তি ও মন্দির নির্মাণ বন্ধ, আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল এবং সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মুসল্লিরা। আজ শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এ সমাবেশ করেন তারা।
সমাবেশে আসা বোরহান উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশের সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভারতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকারকে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়াও লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি দ্রুত চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”
সমাবেশে দেশের বিভিন্ন স্থানে মূর্তি ও মন্দির নির্মাণের বিরোধিতা করে বোরহান উদ্দিন আরও জানান, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে এ ধরনের স্থাপনা নিয়ে জনগণের আপত্তি রয়েছে। তারা গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন বৃহৎ মন্দির ও মূর্তির কাজ স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি করেন।
অন্যদিকে সমাবেশে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত কিছু বাণিজ্যিক চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী। এসব চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করে প্রয়োজন হলে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সমাবেশে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও আলেম-ওলামাদের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার দাবিও উত্থাপন করা হয়। জনমতের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে জনগণ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন সমাবেশের বক্তারা।

রাজধানীতে মূর্তি ও মন্দির নির্মাণ বন্ধ, আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল এবং সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মুসল্লিরা। আজ শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এ সমাবেশ করেন তারা।
সমাবেশে আসা বোরহান উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশের সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভারতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকারকে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়াও লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি দ্রুত চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”
সমাবেশে দেশের বিভিন্ন স্থানে মূর্তি ও মন্দির নির্মাণের বিরোধিতা করে বোরহান উদ্দিন আরও জানান, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে এ ধরনের স্থাপনা নিয়ে জনগণের আপত্তি রয়েছে। তারা গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন বৃহৎ মন্দির ও মূর্তির কাজ স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি করেন।
অন্যদিকে সমাবেশে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত কিছু বাণিজ্যিক চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী। এসব চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করে প্রয়োজন হলে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সমাবেশে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও আলেম-ওলামাদের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার দাবিও উত্থাপন করা হয়। জনমতের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে জনগণ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন সমাবেশের বক্তারা।