চরচা প্রতিবেদক

বিএনপি সরকারের চতুর্থ বা পঞ্চম বছরে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল নয় ইঙ্গিত দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “সরকারের থার্ড ইয়ার (তৃতীয় বছর) থেকে ইকোনমি সামনের দিকে যাবে, স্থিতিশীল হবে। তারপর সমৃদ্ধির দিকে যাবে। ফোর্থ, ফিফথ ইয়ারে গিয়ে, ইনশাল্লাহ অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াবে।”
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা জনগণের কাছে যেই ওয়াদাগুলো করেছি, সেগুলো পূরণ করতে আমরা সক্ষম।”
আমির খসরু আরও বলেন, “পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো বাজেটে এত বড় সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট হয়নি। আমাদের লোকগুলার জীবনযাত্রার মান নেমে গেছে। একে আমরা অ্যাড্রেস করছি। আগামী দিনে যাতে তারা একটা ভালো চাকরি পেতে পারে, ভালো কর্মসংস্থান হোক, দেশে হোক বিদেশে হোক।”
শিক্ষিত নাগরিকদের বেকারত্ব সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। তা কোনো সময়ে লক্ষ্য করা হয়নি। সরকার সেই জায়গাতে আবারও কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী ।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ কমিয়ে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া, বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি শক্তিশালী করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

বিএনপি সরকারের চতুর্থ বা পঞ্চম বছরে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল নয় ইঙ্গিত দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “সরকারের থার্ড ইয়ার (তৃতীয় বছর) থেকে ইকোনমি সামনের দিকে যাবে, স্থিতিশীল হবে। তারপর সমৃদ্ধির দিকে যাবে। ফোর্থ, ফিফথ ইয়ারে গিয়ে, ইনশাল্লাহ অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াবে।”
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা জনগণের কাছে যেই ওয়াদাগুলো করেছি, সেগুলো পূরণ করতে আমরা সক্ষম।”
আমির খসরু আরও বলেন, “পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো বাজেটে এত বড় সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট হয়নি। আমাদের লোকগুলার জীবনযাত্রার মান নেমে গেছে। একে আমরা অ্যাড্রেস করছি। আগামী দিনে যাতে তারা একটা ভালো চাকরি পেতে পারে, ভালো কর্মসংস্থান হোক, দেশে হোক বিদেশে হোক।”
শিক্ষিত নাগরিকদের বেকারত্ব সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। তা কোনো সময়ে লক্ষ্য করা হয়নি। সরকার সেই জায়গাতে আবারও কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী ।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ কমিয়ে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া, বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি শক্তিশালী করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকম বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আজ শুক্রবার ওসমানি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশ্বস্ত করে বলন, ব্যাংকের আমানতকারীদের ভয়ের কোনো কারণ নেই।