চরচা প্রতিবেদক

দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘নেতিবাচক সংবাদের’ জেরে দেশের প্রধান জ্বালানি তেল ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার করার জরুরি নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
গতকাল শনিবার বিপিসি দুটি চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিপিসি জানায়, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে ডিলাররা আকস্মিকভাবে বর্ধিত হারে তেল সংগ্রহের চাহিদা দিচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, খুলনার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর এবং বরিশালের প্রধান ডিপোগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, জ্বালানি সংকটের গুজবে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে। বিপিসি জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্রাহকরা এখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন, যা অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদিত সীমার বাইরে। এর ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহকদের সাথে কর্মীদের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে।
সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সারা দেশের সকল ফিলিং স্টেশনে পুলিশি টহল জোরদার করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছে বিপিসি। ইতোমধ্যে ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
বিপিসি কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনগণকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুদ না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। তবে প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতির এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতির গুরুত্বকেই প্রতিফলিত করছে বলে মনে করেন জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা।

দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘নেতিবাচক সংবাদের’ জেরে দেশের প্রধান জ্বালানি তেল ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার করার জরুরি নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
গতকাল শনিবার বিপিসি দুটি চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিপিসি জানায়, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে ডিলাররা আকস্মিকভাবে বর্ধিত হারে তেল সংগ্রহের চাহিদা দিচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, খুলনার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর এবং বরিশালের প্রধান ডিপোগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, জ্বালানি সংকটের গুজবে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে। বিপিসি জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্রাহকরা এখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন, যা অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদিত সীমার বাইরে। এর ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহকদের সাথে কর্মীদের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে।
সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সারা দেশের সকল ফিলিং স্টেশনে পুলিশি টহল জোরদার করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছে বিপিসি। ইতোমধ্যে ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল সরবরাহে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
বিপিসি কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনগণকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুদ না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। তবে প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতির এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতির গুরুত্বকেই প্রতিফলিত করছে বলে মনে করেন জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা।