চরচা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার বারিনাস অঙ্গরাজ্যের ‘ইনজুবা’ কারাগারে বন্দি ও নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে তীব্র সহিংস সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, নতুন পরিচালকের অধীনে বন্দিদের ওপর চালানো কথিত নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে কয়েদিরা ছাদ বেয়ে উপরে উঠে বিক্ষোভ করে এবং তোষকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ছাড়া, তারা ‘এসওএস’ এবং ‘তারা আমাদের ওপর নির্যাতন করছে’ লেখা ব্যানার টানিয়ে বিক্ষোভ প্রকাশ করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই কারাগারে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এবং বন্দিদের দাবি, তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে।
কারাগার পর্যবেক্ষণকারী বেসরকারি সংস্থা ‘ভেনেজুয়েলান প্রিজন অবজারভেটরি’ (ওভিপি) প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বন্দিরা ছাদের ওপর বিক্ষোভ করছে। একটি ভিডিওতে এক বন্দিকে তার শরীর ও বাহুর জখম দেখাতে দেখা যায়, যেখানে অন্য বন্দিরা ‘আমরা বিচার চাই’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং তাদের ওপর গুলি চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন।
অন্য একটি রেকর্ডিংয়ে, মাস্ক পরিহিত এক নারীকে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজকে সম্বোধন করে কারা মন্ত্রী ও ইনজুবা পরিচালকের পদত্যাগ এবং যক্ষ্মা আক্রান্ত কয়েদিদের জন্য ওষুধের ব্যবস্থা করার দাবি জানাতে দেখা যায়।
ওভিপি দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার কারাগারগুলোর শোচনীয় অবস্থার নিন্দা জানিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, বেশিরভাগ কারাগার আইন মেনে চলে না। ভেনেজুয়েলার ‘রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি বিষয়ক কমিটি’ এই আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করে অভিযোগ করেছে যে, বন্দিদের দমনে শাস্তি, ক্ষুধা, নির্জন কারাবাস ও নির্যাতনকে প্রাতিষ্ঠানিক কারা নীতি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত ৩ জানুয়ারি রাজধানী কারাকাসে মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত ও আটক হওয়ার পর, মার্কিন চাপে শত শত রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেলেও এখনো ৪০০-রও বেশি মানুষ কারাবন্দি রয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, মাদুরোর পতনের পরও ভেনেজুয়েলায় বন্দিদের ওপর ক্রমাগত নির্যাতন চালানো হচ্ছে। তবে এই সংঘর্ষের বিষয়ে কারাগার কর্তৃপক্ষ বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

ভেনেজুয়েলার বারিনাস অঙ্গরাজ্যের ‘ইনজুবা’ কারাগারে বন্দি ও নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে তীব্র সহিংস সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, নতুন পরিচালকের অধীনে বন্দিদের ওপর চালানো কথিত নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে কয়েদিরা ছাদ বেয়ে উপরে উঠে বিক্ষোভ করে এবং তোষকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ছাড়া, তারা ‘এসওএস’ এবং ‘তারা আমাদের ওপর নির্যাতন করছে’ লেখা ব্যানার টানিয়ে বিক্ষোভ প্রকাশ করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই কারাগারে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এবং বন্দিদের দাবি, তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে।
কারাগার পর্যবেক্ষণকারী বেসরকারি সংস্থা ‘ভেনেজুয়েলান প্রিজন অবজারভেটরি’ (ওভিপি) প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বন্দিরা ছাদের ওপর বিক্ষোভ করছে। একটি ভিডিওতে এক বন্দিকে তার শরীর ও বাহুর জখম দেখাতে দেখা যায়, যেখানে অন্য বন্দিরা ‘আমরা বিচার চাই’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং তাদের ওপর গুলি চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন।
অন্য একটি রেকর্ডিংয়ে, মাস্ক পরিহিত এক নারীকে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজকে সম্বোধন করে কারা মন্ত্রী ও ইনজুবা পরিচালকের পদত্যাগ এবং যক্ষ্মা আক্রান্ত কয়েদিদের জন্য ওষুধের ব্যবস্থা করার দাবি জানাতে দেখা যায়।
ওভিপি দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার কারাগারগুলোর শোচনীয় অবস্থার নিন্দা জানিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, বেশিরভাগ কারাগার আইন মেনে চলে না। ভেনেজুয়েলার ‘রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি বিষয়ক কমিটি’ এই আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করে অভিযোগ করেছে যে, বন্দিদের দমনে শাস্তি, ক্ষুধা, নির্জন কারাবাস ও নির্যাতনকে প্রাতিষ্ঠানিক কারা নীতি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত ৩ জানুয়ারি রাজধানী কারাকাসে মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত ও আটক হওয়ার পর, মার্কিন চাপে শত শত রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেলেও এখনো ৪০০-রও বেশি মানুষ কারাবন্দি রয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, মাদুরোর পতনের পরও ভেনেজুয়েলায় বন্দিদের ওপর ক্রমাগত নির্যাতন চালানো হচ্ছে। তবে এই সংঘর্ষের বিষয়ে কারাগার কর্তৃপক্ষ বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।