আরমান ভূঁইয়া

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রাকিবুল ইসলাম (২৫) নামে এক টিকটক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, গতকাল রোববার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকের এই হত্যা নারী-সংশ্লিষ্ট বিরোধ থেকে ঘটেছে। রাকিবুল ইসলামের স্ত্রীর অভিযোগ, এই হত্যার পেছনে মাদকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
ঘটনাটি রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সংঘটিত হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাকিব টিকটকে নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করতেন। দুই বছর আগে তিনি বিয়ে করেন। স্ত্রীকে নিয়ে রাজধানীর বংশালের নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর থানার পৌর বাত্তা ১ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা মো. খোকন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের অফিস সহায়ক এবং মা রাজিয়া বেগম একটি কলেজের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখায় কর্মরত।
আজ সোমবার দুপুরে ঢামেক মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ঢাবির শিববাড়ি স্টাফ কোয়ার্টারে রাকিবের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার স্ত্রী আশফিয়া আফরিন বলেন, “টিকটকের মাধ্যমে জান্নাত মুন নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে রাকিবের পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। তবে পরবর্তীতে রাকিব জানতে পারেন, ওই নারী মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি টের পাওয়ার পর তিনি সম্পর্ক ছিন্ন করেন।”
স্ত্রীর অভিযোগ, মাদক সংশ্লিষ্ট বিষয়টি জানাজানির পর জান্নাত মুন ও তার কথিত বয়ফ্রেন্ড সাজিদ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। প্রায় এক মাস আগে সাজিদ ফোনে রাকিবকে গালাগালি করে এবং ‘ঢাকায় এসে গুলি করে হত্যা’ করার হুমকি দেয়। এরপর থেকে রাকিবকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছিল।

আশফিয়া আফরিন আরও অভিযোগ করেন, এক সপ্তাহ আগে রাকিবের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে প্রমোশনাল কাজের প্রস্তাব আসে। তাকে খিলগাঁও এলাকা থেকে একটি পণ্য গ্রহণ করতে বলা হয়। বিষয়টি রাকিবের সন্দেহজনক মনে হয়েছিল। কারণ তার প্রমোশন সংক্রান্ত যোগাযোগ সাধারণত ইমেইলে হতো। এরপর একই নম্বর থেকে বারবার কল আসতে থাকে। একপর্যায়ে ফোনে বাকবিতণ্ডার সময় তাকে সরাসরি গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়।
আশফিয়া আফরিনের ভাষ্য, হত্যার দিন সন্ধ্যায় রাকিব তাকে জানান, মিরপুর থেকে এক ‘বড় ভাই’ শহীদ মিনার এলাকায় এসেছেন। তার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পরই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর আসে।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম বলেন, “প্রাথমিকভাবে নারী-সংশ্লিষ্ট বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে মোটিভ বলা যাচ্ছে না।”
তিনি জানান, হত্যাকারীদের ধরতে একাধিক টিম কাজ করছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ মিনার এলাকায় রাকিবকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বত্তরা। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় আশপাশের লোকজন শিহাব (২১) নামে এক হামলাকারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিঠুন ফকির জানান, আটক শিহাবের কাছ থেকে একটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে চারটি গুলির খোসাও জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিহাব দাবি করেছেন, মূল পরিকল্পনাকারীদের তিনি চেনেন না। তাকে দেড় হাজার টাকা ও মাদকদ্রব্য দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একজনকে ‘মারধর’ করার কথা বলে ভাড়া করা হয়েছিল।
শহিদ মিনারে রাকিবের ওপর হামলা ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাকিবকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওয়ানস্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সুরতহাল প্রতিবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেন, রাকিবের শরীরে ১০টি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন এবং দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি গুলি মাথার ডান পাশে কানের ওপর দিয়ে প্রবেশ করে বাম পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। অপরটি পিঠের ডান দিক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে প্রকাশ্যে এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক বিরোধের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। নিহতের পরিবার দ্রুত বিচার ও প্রকৃত পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।
মায়ের আহাজারি, “আমার বুকের ধনটা সন্ত্রাসীরা কেঁড়ে নিলো”
এর আগে সেমাবার দুপুরে হাসপাতালের মর্গের সামনে সন্তান হারিয়ে বিলাপ করছিলেন নিহত রাকিবুল ইসলামের মা রাজিয়া বেগম। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলের রক্তে শহীদ মিনার লাল হয়েছে। আমি এ হত্যার কঠিন বিচার চাই।”
রাকিবের বাবা মো. খোকন বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর মতো এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হলো। এটা কীভাবে সম্ভব? আমি আমার ছেলে হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। যারা সরাসরি জড়িত এবং যারা পেছন থেকে পরিকল্পনা করেছে। সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তিনি বলেন, “আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার না হলে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে। আমি একজন অসহায় বাবা হিসেবে আমার সন্তানের হত্যার ন্যায়বিচার চাই।”

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রাকিবুল ইসলাম (২৫) নামে এক টিকটক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, গতকাল রোববার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকের এই হত্যা নারী-সংশ্লিষ্ট বিরোধ থেকে ঘটেছে। রাকিবুল ইসলামের স্ত্রীর অভিযোগ, এই হত্যার পেছনে মাদকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
ঘটনাটি রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সংঘটিত হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাকিব টিকটকে নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করতেন। দুই বছর আগে তিনি বিয়ে করেন। স্ত্রীকে নিয়ে রাজধানীর বংশালের নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর থানার পৌর বাত্তা ১ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা মো. খোকন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের অফিস সহায়ক এবং মা রাজিয়া বেগম একটি কলেজের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখায় কর্মরত।
আজ সোমবার দুপুরে ঢামেক মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ঢাবির শিববাড়ি স্টাফ কোয়ার্টারে রাকিবের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার স্ত্রী আশফিয়া আফরিন বলেন, “টিকটকের মাধ্যমে জান্নাত মুন নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে রাকিবের পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। তবে পরবর্তীতে রাকিব জানতে পারেন, ওই নারী মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি টের পাওয়ার পর তিনি সম্পর্ক ছিন্ন করেন।”
স্ত্রীর অভিযোগ, মাদক সংশ্লিষ্ট বিষয়টি জানাজানির পর জান্নাত মুন ও তার কথিত বয়ফ্রেন্ড সাজিদ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। প্রায় এক মাস আগে সাজিদ ফোনে রাকিবকে গালাগালি করে এবং ‘ঢাকায় এসে গুলি করে হত্যা’ করার হুমকি দেয়। এরপর থেকে রাকিবকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছিল।

আশফিয়া আফরিন আরও অভিযোগ করেন, এক সপ্তাহ আগে রাকিবের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে প্রমোশনাল কাজের প্রস্তাব আসে। তাকে খিলগাঁও এলাকা থেকে একটি পণ্য গ্রহণ করতে বলা হয়। বিষয়টি রাকিবের সন্দেহজনক মনে হয়েছিল। কারণ তার প্রমোশন সংক্রান্ত যোগাযোগ সাধারণত ইমেইলে হতো। এরপর একই নম্বর থেকে বারবার কল আসতে থাকে। একপর্যায়ে ফোনে বাকবিতণ্ডার সময় তাকে সরাসরি গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়।
আশফিয়া আফরিনের ভাষ্য, হত্যার দিন সন্ধ্যায় রাকিব তাকে জানান, মিরপুর থেকে এক ‘বড় ভাই’ শহীদ মিনার এলাকায় এসেছেন। তার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পরই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর আসে।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম বলেন, “প্রাথমিকভাবে নারী-সংশ্লিষ্ট বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে মোটিভ বলা যাচ্ছে না।”
তিনি জানান, হত্যাকারীদের ধরতে একাধিক টিম কাজ করছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ মিনার এলাকায় রাকিবকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বত্তরা। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় আশপাশের লোকজন শিহাব (২১) নামে এক হামলাকারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিঠুন ফকির জানান, আটক শিহাবের কাছ থেকে একটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে চারটি গুলির খোসাও জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিহাব দাবি করেছেন, মূল পরিকল্পনাকারীদের তিনি চেনেন না। তাকে দেড় হাজার টাকা ও মাদকদ্রব্য দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একজনকে ‘মারধর’ করার কথা বলে ভাড়া করা হয়েছিল।
শহিদ মিনারে রাকিবের ওপর হামলা ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাকিবকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওয়ানস্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সুরতহাল প্রতিবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেন, রাকিবের শরীরে ১০টি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন এবং দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি গুলি মাথার ডান পাশে কানের ওপর দিয়ে প্রবেশ করে বাম পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। অপরটি পিঠের ডান দিক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে প্রকাশ্যে এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক বিরোধের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। নিহতের পরিবার দ্রুত বিচার ও প্রকৃত পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।
মায়ের আহাজারি, “আমার বুকের ধনটা সন্ত্রাসীরা কেঁড়ে নিলো”
এর আগে সেমাবার দুপুরে হাসপাতালের মর্গের সামনে সন্তান হারিয়ে বিলাপ করছিলেন নিহত রাকিবুল ইসলামের মা রাজিয়া বেগম। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলের রক্তে শহীদ মিনার লাল হয়েছে। আমি এ হত্যার কঠিন বিচার চাই।”
রাকিবের বাবা মো. খোকন বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর মতো এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হলো। এটা কীভাবে সম্ভব? আমি আমার ছেলে হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। যারা সরাসরি জড়িত এবং যারা পেছন থেকে পরিকল্পনা করেছে। সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তিনি বলেন, “আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার না হলে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে। আমি একজন অসহায় বাবা হিসেবে আমার সন্তানের হত্যার ন্যায়বিচার চাই।”