চরচা ডেস্ক

ঈদুল আজহার সাত দিনের ছুটি গতকাল সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। এবার ঈদের ছুটিতে প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ রাজধানী ছাড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঘরমুখী মানুষ ভোগান্তিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার সকাল থেকেই ছুটির আমেজে বাড়িফেরা মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত যানবাহন ধরতে বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন এবং লঞ্চঘাটগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, আজ মঙ্গলবার সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। সেই সঙ্গে ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। আর আগামী বুধবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, তাদের সংগঠন আশা করছে প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ ঈদ উদযাপনের জন্য ঢাকা শহর ছাড়বেন। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে কিছু মানুষ নিজেদের যাত্রা বাতিল বা স্থগিত করলে এ সংখ্যা কমতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মোজাম্মেল হক জানান, তার ধারণা, প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ যাত্রী সড়কপথ ব্যবহার করবেন, ১০-১২ শতাংশ যাত্রী রেলপথে ভ্রমণ করতে পারেন এবং আরও ২০-২৫ শতাংশ যাত্রী নৌপথ ব্যবহার করবেন । তিনি আরও জানান, ঈদের পরেও একটি বড় অংশের মানুষ ঢাকা ছাড়বেন। ঈদের পরের দিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারেন বলে তিনি অনুমান করছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, রোববার ছিল শেষ কর্মদিবস। ওইদিন রাত ও সোমবার দিনজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। বেশিরভাগ মানুষই ইতোমধ্যে চলে গেছেন। তার মতে, যাত্রীদের এই চলাচল ঈদের দিন ভোর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ঈদের পরেও তাদের যাত্রা শুরু করতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।
তবে ঈদের পর সড়ক ফাঁকা হয়ে গেলে দুর্ঘটনা বৃদ্ধির ঝুঁকির ব্যাপারে সতর্ক করেছেন সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ঈদের পর যানজট কম থাকায় যানবাহনগুলো সাধারণত অতিরিক্ত গতিতে চলে, এতে সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
পরিবহন সক্ষমতার বিষয়ে তিনি বলেন, এত বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াতের জন্য দেশে পর্যাপ্ত মানসম্মত পরিবহন ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মানুষ যেকোনো উপায়ে ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করছেন। কেউ মোটরবাইকে যাচ্ছেন, আবার কেউ ট্রাকে। বিশেষ করে যেসব ট্রাকে করে ঢাকায় কোরবানির পশু আনা হয়েছিল, নিম্ন আয়ের কিছু মানুষ ফেরার পথে সেগুলোতে করেই বাড়ি ফিরছেন।’
যদিও কোনো সরকারি জরিপ নেই, তবুও ঢাকার জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ বলে ধারণা করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (মিডিয়া) এস এম নাসিরউদ্দিন বলেন, কতজন নগরবাসী ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছেন সে বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
রোববার শেষ কর্মদিবস পার হওয়ার পর সোমবার থেকে সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। সরকারি অফিস, আদালত এবং অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের অন্যতম বড় এই মৌসুমী যাত্রা শুরু হয়েছে। আগামী ২৮ মে ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে, হামের চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে, যাতে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যায়। তাই তারা এই ছুটির তালিকার বাইরে থাকবেন।
গত ৭ মে সরকার ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ মে সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। ছুটি শেষে আগামী ১ জুন থেকে আবার কর্মস্থলে ফেরার কথা রয়েছে চাকরিজীবীদের।

ঈদুল আজহার সাত দিনের ছুটি গতকাল সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। এবার ঈদের ছুটিতে প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ রাজধানী ছাড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঘরমুখী মানুষ ভোগান্তিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার সকাল থেকেই ছুটির আমেজে বাড়িফেরা মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত যানবাহন ধরতে বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন এবং লঞ্চঘাটগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, আজ মঙ্গলবার সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। সেই সঙ্গে ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। আর আগামী বুধবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, তাদের সংগঠন আশা করছে প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ ঈদ উদযাপনের জন্য ঢাকা শহর ছাড়বেন। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে কিছু মানুষ নিজেদের যাত্রা বাতিল বা স্থগিত করলে এ সংখ্যা কমতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মোজাম্মেল হক জানান, তার ধারণা, প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ যাত্রী সড়কপথ ব্যবহার করবেন, ১০-১২ শতাংশ যাত্রী রেলপথে ভ্রমণ করতে পারেন এবং আরও ২০-২৫ শতাংশ যাত্রী নৌপথ ব্যবহার করবেন । তিনি আরও জানান, ঈদের পরেও একটি বড় অংশের মানুষ ঢাকা ছাড়বেন। ঈদের পরের দিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারেন বলে তিনি অনুমান করছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, রোববার ছিল শেষ কর্মদিবস। ওইদিন রাত ও সোমবার দিনজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। বেশিরভাগ মানুষই ইতোমধ্যে চলে গেছেন। তার মতে, যাত্রীদের এই চলাচল ঈদের দিন ভোর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ঈদের পরেও তাদের যাত্রা শুরু করতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।
তবে ঈদের পর সড়ক ফাঁকা হয়ে গেলে দুর্ঘটনা বৃদ্ধির ঝুঁকির ব্যাপারে সতর্ক করেছেন সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ঈদের পর যানজট কম থাকায় যানবাহনগুলো সাধারণত অতিরিক্ত গতিতে চলে, এতে সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
পরিবহন সক্ষমতার বিষয়ে তিনি বলেন, এত বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াতের জন্য দেশে পর্যাপ্ত মানসম্মত পরিবহন ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মানুষ যেকোনো উপায়ে ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করছেন। কেউ মোটরবাইকে যাচ্ছেন, আবার কেউ ট্রাকে। বিশেষ করে যেসব ট্রাকে করে ঢাকায় কোরবানির পশু আনা হয়েছিল, নিম্ন আয়ের কিছু মানুষ ফেরার পথে সেগুলোতে করেই বাড়ি ফিরছেন।’
যদিও কোনো সরকারি জরিপ নেই, তবুও ঢাকার জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ বলে ধারণা করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (মিডিয়া) এস এম নাসিরউদ্দিন বলেন, কতজন নগরবাসী ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছেন সে বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
রোববার শেষ কর্মদিবস পার হওয়ার পর সোমবার থেকে সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। সরকারি অফিস, আদালত এবং অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের অন্যতম বড় এই মৌসুমী যাত্রা শুরু হয়েছে। আগামী ২৮ মে ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে, হামের চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে, যাতে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যায়। তাই তারা এই ছুটির তালিকার বাইরে থাকবেন।
গত ৭ মে সরকার ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ মে সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। ছুটি শেষে আগামী ১ জুন থেকে আবার কর্মস্থলে ফেরার কথা রয়েছে চাকরিজীবীদের।