চরচা প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ‘লাইনচ্যুত ট্রেন, ফের লাইনে তোলার চেষ্টা’ করছে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংস্থার মোর্চা ‘অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)’–এর একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সানাউল্লাহ বলেন, “আমি তিনটা নির্বাচন ও সে সময়কালকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। একটা ১৯৯১ সাল, আরেকটা ২০০৮ সাল এবং আগামী নির্বাচন। এ সময়কালে বেশকিছু সংস্কার হয়েছিল। ২০০৭-২০০৮ সালে বেশকিছু আইনি পরিবর্তন আনা হয়েছিল।”
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, “কিন্তু দুঃখজনকভাবে পরবর্তী তিনটা নির্বাচনে কোনো আইনের ধার আমরা ধারি নেই। সে সময় যে আইনগুলো বানানো হলো সংশোধন ও পরিমার্জন করা হলো সেগুলো এই তিন নির্বাচনে ঘষামাজা করার সুযোগ কমিশন পায়নি।”
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “২০০৬ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু সংস্কার হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও সংস্কারের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। এবারের নির্বাচন শেষে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে পরবর্তী ধাপে কাজ করতে হবে।”
সানাউল্লাহ বলেন, “২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি রূপকভাবে বলি-এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মতো। খুব বড় মেরামত নয়, ন্যূনতম রিপেয়ার করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেওয়ার চেষ্টা। যদি আমরা এটি করতে পারি, তাহলে এটাকেই আমরা প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরতে পারি।”
প্রবাসী ভোটারদের প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “কমিশন ধরে নিচ্ছে প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী ভোটার ভোট দেবেন। পোস্টাল ভোটিংসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কমিশন কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “আদালতের আদেশে কোনো প্রার্থী যদি মনোনয়ন ফিরে পান, সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয় এবং পূর্বে ছাপানো ব্যালট নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারস তালেয়া রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সব পর্যবেক্ষক সংস্থা সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।”

নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ‘লাইনচ্যুত ট্রেন, ফের লাইনে তোলার চেষ্টা’ করছে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংস্থার মোর্চা ‘অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)’–এর একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সানাউল্লাহ বলেন, “আমি তিনটা নির্বাচন ও সে সময়কালকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। একটা ১৯৯১ সাল, আরেকটা ২০০৮ সাল এবং আগামী নির্বাচন। এ সময়কালে বেশকিছু সংস্কার হয়েছিল। ২০০৭-২০০৮ সালে বেশকিছু আইনি পরিবর্তন আনা হয়েছিল।”
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, “কিন্তু দুঃখজনকভাবে পরবর্তী তিনটা নির্বাচনে কোনো আইনের ধার আমরা ধারি নেই। সে সময় যে আইনগুলো বানানো হলো সংশোধন ও পরিমার্জন করা হলো সেগুলো এই তিন নির্বাচনে ঘষামাজা করার সুযোগ কমিশন পায়নি।”
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “২০০৬ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু সংস্কার হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও সংস্কারের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। এবারের নির্বাচন শেষে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে পরবর্তী ধাপে কাজ করতে হবে।”
সানাউল্লাহ বলেন, “২০২৬ সালের নির্বাচনকে আমি যদি রূপকভাবে বলি-এটা অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মতো। খুব বড় মেরামত নয়, ন্যূনতম রিপেয়ার করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেওয়ার চেষ্টা। যদি আমরা এটি করতে পারি, তাহলে এটাকেই আমরা প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরতে পারি।”
প্রবাসী ভোটারদের প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “কমিশন ধরে নিচ্ছে প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী ভোটার ভোট দেবেন। পোস্টাল ভোটিংসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কমিশন কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “আদালতের আদেশে কোনো প্রার্থী যদি মনোনয়ন ফিরে পান, সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয় এবং পূর্বে ছাপানো ব্যালট নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারস তালেয়া রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সব পর্যবেক্ষক সংস্থা সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।”