চরচা ডেস্ক

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন, মো. নাইম ইসলাম, মো. সাইদুর রহমান, আবুল কাশেম, মো. প্রান্ত সিকদার, মো. রাজু আহম্মেদ, মো. সাগর ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর ও মো. হাসান।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পরিদর্শক আবদুল হান্নান গত ২৩ ডিসেম্বর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে ২৮ ডিসেম্বর এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক ত্রিদীপ বড়ুয়া।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর রাত সোয়া ১১টার দিকে ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, দাহ্য পদার্থ নিয়ে মিছিল করে কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে এসে হামলার চেষ্টা চালায়। পুলিশ বাধা দিলে তারা বে-আইনিভাবে প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে উত্তেজনা সৃষ্টিকারী স্লোগান দেয়। বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে তারা লোক জড়ো করে। প্রথম আলোতে হামলার জন্য উসকানিমূলক পোস্ট দিতে থাকে। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ জন দুষ্কৃতকারী প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়।
ওই ঘটনায় প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠানের হেড সিকিউরিটি অফিসার মেজর (অব.) মো. সাজ্জাদুল কবির বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, তদন্তকালে এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন ও বিশ্বস্ত সূত্রের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের একাধিক জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, হাজতি আসামি মো. নাইম ইসলাম এর কাছে থেকে লুণ্ঠিত নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং সেই অর্থ দিয়ে ক্রয়কৃত একটি ফ্রিজ, একটি এলইডি টিভি জব্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা এ ঘটনার সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই অপরাধ ঘটানোর আহ্বান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে নির্দেশনা প্রদান এবং অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম করার তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন, মো. নাইম ইসলাম, মো. সাইদুর রহমান, আবুল কাশেম, মো. প্রান্ত সিকদার, মো. রাজু আহম্মেদ, মো. সাগর ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর ও মো. হাসান।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পরিদর্শক আবদুল হান্নান গত ২৩ ডিসেম্বর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে ২৮ ডিসেম্বর এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক ত্রিদীপ বড়ুয়া।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর রাত সোয়া ১১টার দিকে ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, দাহ্য পদার্থ নিয়ে মিছিল করে কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে এসে হামলার চেষ্টা চালায়। পুলিশ বাধা দিলে তারা বে-আইনিভাবে প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে উত্তেজনা সৃষ্টিকারী স্লোগান দেয়। বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে তারা লোক জড়ো করে। প্রথম আলোতে হামলার জন্য উসকানিমূলক পোস্ট দিতে থাকে। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ জন দুষ্কৃতকারী প্রথম আলো কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়।
ওই ঘটনায় প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠানের হেড সিকিউরিটি অফিসার মেজর (অব.) মো. সাজ্জাদুল কবির বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, তদন্তকালে এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন ও বিশ্বস্ত সূত্রের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের একাধিক জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, হাজতি আসামি মো. নাইম ইসলাম এর কাছে থেকে লুণ্ঠিত নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং সেই অর্থ দিয়ে ক্রয়কৃত একটি ফ্রিজ, একটি এলইডি টিভি জব্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা এ ঘটনার সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই অপরাধ ঘটানোর আহ্বান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে নির্দেশনা প্রদান এবং অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম করার তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেছে।