চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী। একই সাথে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সংগঠনটি।
জামায়াতের ঢাকা দক্ষিণ শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল এবং সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। তবে কর্মসূচিতে কোনো ‘গুপ্তচর’ ঢুকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে দলটি।
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল থেকে কয়েকজন সাংবাদিক হামলার শিকার হন।
আক্রান্ত সংবাদকর্মীদের অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তাদের ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে মারধর করা হয়। সাংবাদিকরা জানান, সকাল থেকেই তারা ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় অবস্থান নিয়ে জামায়াতের কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। সেখানে একের পর এক বক্তব্য চলতে থাকায় তারা সংবাদ সংগ্রহের কাজ দ্রুত শেষ করার সুবিধার্থে আয়োজনকারীদের সংক্ষেপে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানান। এর কিছুক্ষণ পরই তাদের ওপর চড়াও হন মিছিলকারীরা।
এই হামলার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সাংবাদিক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠান জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী ও প্রচার সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ধানমন্ডি জোনের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার আয়োজিত ফ্যাসিবাদবিরোধী বিক্ষোভ মিছিলে সাংবাদিকদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। জামায়াতে ইসলামী স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। আমাদের কোনো স্তরের জনশক্তি স্বাধীন সাংবাদিকতায় কখনো বাধা সৃষ্টি করেনি, আগামীতেও করবে না।”
তিনি জানান, ধানমন্ডির ঘটনায় জামায়াতের কোনো জনশক্তি জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইতিমধ্যেই ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “জামায়াতের প্রোগ্রামে অন্য কোনো গুপ্তচর ঢুকে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
এই ঘটনা তদন্তে ধানমন্ডি জোন পরিচালক ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নূর নবী মানিককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রাজধানীতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী। একই সাথে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সংগঠনটি।
জামায়াতের ঢাকা দক্ষিণ শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল এবং সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। তবে কর্মসূচিতে কোনো ‘গুপ্তচর’ ঢুকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে দলটি।
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল থেকে কয়েকজন সাংবাদিক হামলার শিকার হন।
আক্রান্ত সংবাদকর্মীদের অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তাদের ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে মারধর করা হয়। সাংবাদিকরা জানান, সকাল থেকেই তারা ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় অবস্থান নিয়ে জামায়াতের কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। সেখানে একের পর এক বক্তব্য চলতে থাকায় তারা সংবাদ সংগ্রহের কাজ দ্রুত শেষ করার সুবিধার্থে আয়োজনকারীদের সংক্ষেপে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানান। এর কিছুক্ষণ পরই তাদের ওপর চড়াও হন মিছিলকারীরা।
এই হামলার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সাংবাদিক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠান জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী ও প্রচার সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ধানমন্ডি জোনের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার আয়োজিত ফ্যাসিবাদবিরোধী বিক্ষোভ মিছিলে সাংবাদিকদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। জামায়াতে ইসলামী স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। আমাদের কোনো স্তরের জনশক্তি স্বাধীন সাংবাদিকতায় কখনো বাধা সৃষ্টি করেনি, আগামীতেও করবে না।”
তিনি জানান, ধানমন্ডির ঘটনায় জামায়াতের কোনো জনশক্তি জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইতিমধ্যেই ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “জামায়াতের প্রোগ্রামে অন্য কোনো গুপ্তচর ঢুকে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
এই ঘটনা তদন্তে ধানমন্ডি জোন পরিচালক ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নূর নবী মানিককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।