অ্যানথ্রোপিকের প্রযুক্তি ব্যবহারে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
অ্যানথ্রোপিকের প্রযুক্তি ব্যবহারে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা
অ্যানথ্রোপিক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আমেরিকার।ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

অ্যানথ্রোপিকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আমেরিকা। ফেডারেল সরকারি সংস্থাগুলোকে এই প্রযুক্তি ব্যবহার না করতে বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমাদের এই প্রযুক্তির প্রয়োজন নেই, আমরা আর তাদের সঙ্গে ব্যবসা করব না।’’

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীকে তাদের এআই প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের সুযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে অ্যানথ্রোপিক।

সিইও দারিও আমোদেই স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের তৈরি ক্লড চ্যাটবটটি গণ-নজরদারি বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কোম্পানির এই অবস্থানকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং সাপ্লাই চেইন রিস্ক হিসেবে চিহ্নিত করেছে পেন্টাগন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘‘কোনো কট্টর বামপন্থী বা ওক কোম্পানি আমাদের সামরিক বাহিনীকে যুদ্ধের নিয়ম শেখাবে না।’’ তবে বর্তমান সামরিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে থাকা এই প্রযুক্তি সরিয়ে নেওয়ার জন্য ছয় মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।

অ্যানথ্রোপিকও দিয়েছে পাল্টা জবাব। শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে অ্যানথ্রোপিক এই পদক্ষেপকে আইনগতভাবে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছে। তারা জানিয়েছে, পেন্টাগনের হুমকি বা শাস্তির ভয়ে তারা তাদের সুরক্ষা নীতি থেকে সরে আসবে না এবং এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই করবে।

সিলিকন ভ্যালিতে এই ঘটনা তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান এবং গুগল-এর অনেক বিজ্ঞানী অ্যানথ্রোপিকের এই সাহসী অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাতের ফলে এলন মাস্কের চ্যাটবট গ্রোক সামরিক খাতে লাভবান হতে পারে।

সম্পর্কিত