চরচা প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে রাজধানীর দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা। আজ সোমবার নতুন চেয়ারম্যানের ব্যাংকে প্রথম যোগদানের কথা থাকলেও গ্রাহক ও ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের তীব্র আন্দোলনের মুখে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়।
আন্দোলনরত গ্রাহকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করলে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।
এই পরিস্থিতির মধ্যে বেলা ১২টার দিকে ইসলামী ব্যাংকের সচেতন নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে খুরশীদ আলমের অবিলম্বে অপসারণ ও পদত্যাগসহ ৫ দফা দাবি ঘোষণা করেন ফোরামের নেতারা। ব্যাংকের আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকটিকে লুটপাটের হাত থেকে রক্ষা করতেই তাদের এই কর্মসূচী বলেও দাবি করেন তারা।
গ্রাহক ফোরামের পাঁচ দাবি—
ক. খুরশীদ আলমের অবিলম্বে অপসারণ ও পদত্যাগ
খ. ব্যাংকের আগের সফল ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও চেয়ারম্যান ওমর ফারুককে সসম্মানে পুনর্বহাল
গ. ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতির দায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ
ঘ. বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ সরকারের হেফাজতে নিয়ে জব্দ করা
ঙ. ব্যাংকে থাকা এস আলমের সমস্ত জব্দকৃত শেয়ার বাজারমূল্যে বিক্রি করে তার নেওয়া বেনামী ও খেলাপি ঋণ দ্রুত সমন্বয় করা
ফোরামের নেতারা বলেন, ইসলামী ব্যাংককে একটি নির্দিষ্ট লুটেরা গোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্ত করতে সাধারণ গ্রাহকরা আজ রাস্তায় নেমেছে। খুরশীদ আলমের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান বানিয়ে আবারও এস আলম গ্রুপকে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, দিলকুশা এলাকায় ব্যাংকটির সামনে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এখনো ব্যাংকের সামনে অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা। তবে নতুন চেয়ারম্যান আজ শেষ পর্যন্ত কার্যালয়ে যোগ দিয়েছেন কি না, তা ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি।
এরআগে, আজ সোমবার সকালে পুলিশের সঙ্গে গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের পাল্টা-পাল্টি ধাওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ মুহুর্মুহু টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ শুরু করে। ব্যবহার করা হয় জলকামানও। পুলিশের অ্যাকশনে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষে অন্তত ১০-১২ জন গ্রাহক ও আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের বিদায়ী চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করার পরদিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে রাজধানীর দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা। আজ সোমবার নতুন চেয়ারম্যানের ব্যাংকে প্রথম যোগদানের কথা থাকলেও গ্রাহক ও ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের তীব্র আন্দোলনের মুখে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়।
আন্দোলনরত গ্রাহকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করলে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।
এই পরিস্থিতির মধ্যে বেলা ১২টার দিকে ইসলামী ব্যাংকের সচেতন নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে খুরশীদ আলমের অবিলম্বে অপসারণ ও পদত্যাগসহ ৫ দফা দাবি ঘোষণা করেন ফোরামের নেতারা। ব্যাংকের আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকটিকে লুটপাটের হাত থেকে রক্ষা করতেই তাদের এই কর্মসূচী বলেও দাবি করেন তারা।
গ্রাহক ফোরামের পাঁচ দাবি—
ক. খুরশীদ আলমের অবিলম্বে অপসারণ ও পদত্যাগ
খ. ব্যাংকের আগের সফল ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও চেয়ারম্যান ওমর ফারুককে সসম্মানে পুনর্বহাল
গ. ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতির দায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ
ঘ. বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ সরকারের হেফাজতে নিয়ে জব্দ করা
ঙ. ব্যাংকে থাকা এস আলমের সমস্ত জব্দকৃত শেয়ার বাজারমূল্যে বিক্রি করে তার নেওয়া বেনামী ও খেলাপি ঋণ দ্রুত সমন্বয় করা
ফোরামের নেতারা বলেন, ইসলামী ব্যাংককে একটি নির্দিষ্ট লুটেরা গোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্ত করতে সাধারণ গ্রাহকরা আজ রাস্তায় নেমেছে। খুরশীদ আলমের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান বানিয়ে আবারও এস আলম গ্রুপকে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, দিলকুশা এলাকায় ব্যাংকটির সামনে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এখনো ব্যাংকের সামনে অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা। তবে নতুন চেয়ারম্যান আজ শেষ পর্যন্ত কার্যালয়ে যোগ দিয়েছেন কি না, তা ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি।
এরআগে, আজ সোমবার সকালে পুলিশের সঙ্গে গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের পাল্টা-পাল্টি ধাওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ মুহুর্মুহু টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ শুরু করে। ব্যবহার করা হয় জলকামানও। পুলিশের অ্যাকশনে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষে অন্তত ১০-১২ জন গ্রাহক ও আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের বিদায়ী চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করার পরদিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।