চরচা ডেস্ক

বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় জাতি-রাষ্ট্রের গুরুত্ব হারায়নি, বরং বিশ্ব মানবতার কল্যাণে আন্তরাষ্ট্রিক সম্পর্ককে নতুনভাবে পুনর্গঠিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
‘বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা: মানবজাতির ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এই সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট তাত্ত্বিক, বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বায়নের যুগেও রাষ্ট্র ও জাতির গুরুত্ব ফুরিয়ে যায়নি। তবে বর্তমান জাতিসংঘ কালের চাহিদা মেটাতে অপ্রতুল। মানবজাতিকে যুদ্ধমুক্ত করতে জাতিসংঘের কর্তৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনী গঠন করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে সকল রাষ্ট্রের নিজস্ব সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রগুলোতে জনশৃঙ্খলার জন্য পুলিশ বাহিনীকে নতুনভাবে সাজাতে হবে এবং শ্রমিক-কৃষকসহ সকল স্তরের মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বিশ্বজুড়ে পরাশক্তিগুলোর বৈষম্যমূলক আচরণের সমালোচনা করেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সংস্কারের যে আশা তৈরি হয়েছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তা নষ্ট করেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ড. ইউনূস একটি ‘মেটিকুলাস ডিজাইনের’ মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশকে উগ্রপন্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তার শাসনামলে মব রাজত্ব কায়েম হয়েছিল, যা দেশটিকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়। তবে বর্তমানে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ সেই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেয়েছে।”
সভাপতির বক্তব্যে পার্টির সভাপতি এম এ আলীম সরকার বলেন, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক কর্তৃত্বে চলে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করেছে। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘ এখন একটি ‘অকার্যকর’ সংস্থায় পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে তিনি বলে, গত ৫৫ বছরে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন জনগণের হাতে নেই, বরং তা পশ্চিমা বিশেষ করে মার্কিন কর্তৃত্বে চলে গেছে। ড. ইউনূসকে ‘মার্কিন এজেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, গত ১৮ মাস মানুষ মব সন্ত্রাসের কারণে আতঙ্কে ছিল এবং দেশ গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চরচা সম্পাদক ও কবি সোহরাব হাসান, বারভিডার প্রেসিডেন্ট আবদুল হকসহ অন্যান্য জাতীয় নেতৃবৃন্দ। সভাটি সঞ্চালনা করেন পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক অমূল্য কুমার বৈদ্য।
বক্তারা একটি দুর্নীতিমুক্ত, প্রতিহিংসাহীন ও সম্প্রীতিময় রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় জাতি-রাষ্ট্রের গুরুত্ব হারায়নি, বরং বিশ্ব মানবতার কল্যাণে আন্তরাষ্ট্রিক সম্পর্ককে নতুনভাবে পুনর্গঠিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
‘বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা: মানবজাতির ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এই সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট তাত্ত্বিক, বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বায়নের যুগেও রাষ্ট্র ও জাতির গুরুত্ব ফুরিয়ে যায়নি। তবে বর্তমান জাতিসংঘ কালের চাহিদা মেটাতে অপ্রতুল। মানবজাতিকে যুদ্ধমুক্ত করতে জাতিসংঘের কর্তৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনী গঠন করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে সকল রাষ্ট্রের নিজস্ব সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করতে হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রগুলোতে জনশৃঙ্খলার জন্য পুলিশ বাহিনীকে নতুনভাবে সাজাতে হবে এবং শ্রমিক-কৃষকসহ সকল স্তরের মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বিশ্বজুড়ে পরাশক্তিগুলোর বৈষম্যমূলক আচরণের সমালোচনা করেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সংস্কারের যে আশা তৈরি হয়েছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূস তা নষ্ট করেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ড. ইউনূস একটি ‘মেটিকুলাস ডিজাইনের’ মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশকে উগ্রপন্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তার শাসনামলে মব রাজত্ব কায়েম হয়েছিল, যা দেশটিকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়। তবে বর্তমানে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ সেই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেয়েছে।”
সভাপতির বক্তব্যে পার্টির সভাপতি এম এ আলীম সরকার বলেন, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক কর্তৃত্বে চলে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করেছে। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘ এখন একটি ‘অকার্যকর’ সংস্থায় পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে তিনি বলে, গত ৫৫ বছরে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন জনগণের হাতে নেই, বরং তা পশ্চিমা বিশেষ করে মার্কিন কর্তৃত্বে চলে গেছে। ড. ইউনূসকে ‘মার্কিন এজেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, গত ১৮ মাস মানুষ মব সন্ত্রাসের কারণে আতঙ্কে ছিল এবং দেশ গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চরচা সম্পাদক ও কবি সোহরাব হাসান, বারভিডার প্রেসিডেন্ট আবদুল হকসহ অন্যান্য জাতীয় নেতৃবৃন্দ। সভাটি সঞ্চালনা করেন পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক অমূল্য কুমার বৈদ্য।
বক্তারা একটি দুর্নীতিমুক্ত, প্রতিহিংসাহীন ও সম্প্রীতিময় রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।