বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) উন্নয়ন কাজের সামগ্রী ‘নিম্নমানের’ দাবি করে এক ঠিকাদারকে শারীরিকভাবে হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজমাইন সাকিব ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগও করা হয়েছে। তবে আজ সোমবার ল্যাব টেস্টের ফলাফলে পাথরের মান অত্যন্ত ‘সন্তোষজনক ও মজবুত’ বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ঠিকাদার এ বি এম আওলাদ হোসেন মনুর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে আরসিসি সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজের শুরু থেকেই চাঁদার দাবিতে বাধা দিয়ে আসছিলেন ছাত্রদল নেতা সাকিব। এর আগে গত ২ মার্চ তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছিলেন তিনি। চাঁদা না পেয়েই বারবার পাথর নিম্নমানের অজুহাতে কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ঠিকাদার মনু শ্রমিকদের বেতন দিতে গেলে সাকিবের নেতৃত্বে তার ওপর ‘মব’ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগও রয়েছে। ওই সময় তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল করলে বন্দর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে দাবি করেন।
এদিকে সরবরাহকৃত পাথরের মান যাচাইয়ের জন্য আজ বরিশাল সড়ক ও জনপথ (আরএইচডি) বিভাগের ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠানো হয়। সহকারী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে ‘লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যাব্রেশন টেস্ট’-এ দেখা যায়, পাথরের ক্ষয়ের হার যথাক্রমে মাত্র ১৬.৪০% এবং ৯.২০%, যা সড়ক ও জনপথ বিভাগের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য সীমা (৩০%-৪০%) থেকে অনেক কম। প্রকৌশলীরা নিশ্চিত করেছেন, এই কালো পাথরগুলো অত্যন্ত শক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী ভারী অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী।
রোববার রাতের ঘটনার পর থেকে কাজ বন্ধ রয়েছে। কাজ বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে দায়িত্বে থাকা উপ-প্রকৌশলী আবু মুহাম্মদ বশিরকে একাধিকবার ফোন করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদল নেতা আজমাইন সাকিব চরচাকে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পেজে নিম্নমানের সামগ্রীর অভিযোগ দেখে আমি রাতে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আর ল্যাব টেস্টে তো কয়েকটা পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, ঢালাইয়ের সময় ভালো-খারাপ সব মিলিয়ে দেওয়া হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদ বলেন, “পাথরের মান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠানো হয়েছিল এবং মান সন্তোষজনক প্রমাণিত হয়েছে। আশা করি, ঈদের পর ঢালাইয়ের কাজ নতুন করে শুরু করা যাবে।”
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন চরচাকে বলেন, “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনে অভিযোগ পাওয়ার পর দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ঠিকাদার মনু ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বক্তব্য শোনার পর বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসা করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে কোনো পক্ষ অভিযোগ বা মামলা করলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) উন্নয়ন কাজের সামগ্রী ‘নিম্নমানের’ দাবি করে এক ঠিকাদারকে শারীরিকভাবে হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজমাইন সাকিব ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগও করা হয়েছে। তবে আজ সোমবার ল্যাব টেস্টের ফলাফলে পাথরের মান অত্যন্ত ‘সন্তোষজনক ও মজবুত’ বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ঠিকাদার এ বি এম আওলাদ হোসেন মনুর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে আরসিসি সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজের শুরু থেকেই চাঁদার দাবিতে বাধা দিয়ে আসছিলেন ছাত্রদল নেতা সাকিব। এর আগে গত ২ মার্চ তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছিলেন তিনি। চাঁদা না পেয়েই বারবার পাথর নিম্নমানের অজুহাতে কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ঠিকাদার মনু শ্রমিকদের বেতন দিতে গেলে সাকিবের নেতৃত্বে তার ওপর ‘মব’ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগও রয়েছে। ওই সময় তিনি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল করলে বন্দর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে দাবি করেন।
এদিকে সরবরাহকৃত পাথরের মান যাচাইয়ের জন্য আজ বরিশাল সড়ক ও জনপথ (আরএইচডি) বিভাগের ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠানো হয়। সহকারী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে ‘লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যাব্রেশন টেস্ট’-এ দেখা যায়, পাথরের ক্ষয়ের হার যথাক্রমে মাত্র ১৬.৪০% এবং ৯.২০%, যা সড়ক ও জনপথ বিভাগের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য সীমা (৩০%-৪০%) থেকে অনেক কম। প্রকৌশলীরা নিশ্চিত করেছেন, এই কালো পাথরগুলো অত্যন্ত শক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী ভারী অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী।
রোববার রাতের ঘটনার পর থেকে কাজ বন্ধ রয়েছে। কাজ বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে দায়িত্বে থাকা উপ-প্রকৌশলী আবু মুহাম্মদ বশিরকে একাধিকবার ফোন করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদল নেতা আজমাইন সাকিব চরচাকে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পেজে নিম্নমানের সামগ্রীর অভিযোগ দেখে আমি রাতে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আর ল্যাব টেস্টে তো কয়েকটা পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, ঢালাইয়ের সময় ভালো-খারাপ সব মিলিয়ে দেওয়া হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদ বলেন, “পাথরের মান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠানো হয়েছিল এবং মান সন্তোষজনক প্রমাণিত হয়েছে। আশা করি, ঈদের পর ঢালাইয়ের কাজ নতুন করে শুরু করা যাবে।”
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন চরচাকে বলেন, “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনে অভিযোগ পাওয়ার পর দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ঠিকাদার মনু ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বক্তব্য শোনার পর বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসা করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে কোনো পক্ষ অভিযোগ বা মামলা করলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”