চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় ৯৪ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সাবেক এক সেলসম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম বিভাগের একটি দল তেজগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা সিটির সামনের সড়ক থেকে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম কৃষ্ণ বসাক ওরফে স্বপন বশাক (৪৭)।
সিআইডি জানায়, স্বপন বশাক ওই প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতনে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু মালিকের অগাধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে অন্যান্য কর্মচারীদের সহযোগিতায় ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ৭ হাজার ৫৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করেন। বর্তমান বাজারদরে যার মূল্য প্রায় ৯৪ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এই বিপুল অর্থ দিয়ে এই ব্যক্তি নিজে একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন, কিনেছেন বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও গাড়ি এবং বড় অংকের বিনিয়োগ করেছেন পুঁজিবাজারেও।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের স্টক যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের ঘাটতি ধরা পড়লে ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তকালে স্বপন বশাকের আয়কর নথি ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে অস্বাভাবিক সব তথ্য পায় সিআইডি।
সেখানে দেখা যায়, নামমাত্র বেতনে চাকরি করলেও তার আয়কর নথিতে ৫০ ভরি স্বর্ণের তথ্য রয়েছে এবং তিনি একটি ফ্ল্যাট ও কার পার্কিং বাবদ প্রায় ৪৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। এছাড়া পুঁজিবাজারে তার প্রায় ১৭ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে।
সিআইডি আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের তথ্য উদঘাটন এবং আত্মসাৎকৃত স্বর্ণ উদ্ধারের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
ইতিপূর্বে এই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত অন্য এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। বর্তমানে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম বিভাগ অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটনে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় ৯৪ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সাবেক এক সেলসম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম বিভাগের একটি দল তেজগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা সিটির সামনের সড়ক থেকে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম কৃষ্ণ বসাক ওরফে স্বপন বশাক (৪৭)।
সিআইডি জানায়, স্বপন বশাক ওই প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতনে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু মালিকের অগাধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে অন্যান্য কর্মচারীদের সহযোগিতায় ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ৭ হাজার ৫৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করেন। বর্তমান বাজারদরে যার মূল্য প্রায় ৯৪ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এই বিপুল অর্থ দিয়ে এই ব্যক্তি নিজে একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন, কিনেছেন বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও গাড়ি এবং বড় অংকের বিনিয়োগ করেছেন পুঁজিবাজারেও।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের স্টক যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের ঘাটতি ধরা পড়লে ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তকালে স্বপন বশাকের আয়কর নথি ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে অস্বাভাবিক সব তথ্য পায় সিআইডি।
সেখানে দেখা যায়, নামমাত্র বেতনে চাকরি করলেও তার আয়কর নথিতে ৫০ ভরি স্বর্ণের তথ্য রয়েছে এবং তিনি একটি ফ্ল্যাট ও কার পার্কিং বাবদ প্রায় ৪৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। এছাড়া পুঁজিবাজারে তার প্রায় ১৭ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে।
সিআইডি আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের তথ্য উদঘাটন এবং আত্মসাৎকৃত স্বর্ণ উদ্ধারের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
ইতিপূর্বে এই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত অন্য এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। বর্তমানে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম বিভাগ অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটনে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।