চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক ও বিশালা বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-এ গত সপ্তাহে লাগা আগুন টানা ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলেছে। এতে রণতরিটির বেশ কয়েকজন নৌসেনা ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।
রণতরিটির কয়েকজন নাবিক ও সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত সপ্তাহে রণতরিটির লন্ড্রি (কাপড় ধোয়ার জায়গা) অংশে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
এর আগে মার্কিন নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং এটি কোনো যুদ্ধকালীন হামলার ঘটনা নয়। ওই ঘটনায় দুই নাবিক সামান্য আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছিল।
আগুন লাগলেও ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সময় লোহিত সাগরে মোতায়েন করা এ রণতরির সামরিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি বলে নৌবাহিনী দাবি করেছে। তবে এ রণতরিতে থাকা প্রায় ৪ হাজার ৫০০ ক্রু ও বিমান সেনার অবস্থা বর্তমানে ‘চরম অস্বস্তিকর’ হয়ে উঠছে।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা হারিয়েছেন। তারা এখন রণতরির টেবিল বা মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন। এ ছাড়া লন্ড্রি পুড়ে যাওয়ায় অনেকেই কাপড় ধুতে পারছেন না।
গত জুন মাসে ভার্জিনিয়ার নরফোক বন্দর ছাড়ার পর থেকে রণতরিটি আটলান্টিক, ভূমধ্যসাগর ও ক্যারিবীয় অঞ্চল হয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যদি এই মোতায়েন এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত গড়ায়, তবে তা হবে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর কোনো মার্কিন রণতরির দীর্ঘতম মোতায়েন।

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক ও বিশালা বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-এ গত সপ্তাহে লাগা আগুন টানা ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলেছে। এতে রণতরিটির বেশ কয়েকজন নৌসেনা ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।
রণতরিটির কয়েকজন নাবিক ও সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত সপ্তাহে রণতরিটির লন্ড্রি (কাপড় ধোয়ার জায়গা) অংশে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
এর আগে মার্কিন নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং এটি কোনো যুদ্ধকালীন হামলার ঘটনা নয়। ওই ঘটনায় দুই নাবিক সামান্য আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছিল।
আগুন লাগলেও ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সময় লোহিত সাগরে মোতায়েন করা এ রণতরির সামরিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি বলে নৌবাহিনী দাবি করেছে। তবে এ রণতরিতে থাকা প্রায় ৪ হাজার ৫০০ ক্রু ও বিমান সেনার অবস্থা বর্তমানে ‘চরম অস্বস্তিকর’ হয়ে উঠছে।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা হারিয়েছেন। তারা এখন রণতরির টেবিল বা মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন। এ ছাড়া লন্ড্রি পুড়ে যাওয়ায় অনেকেই কাপড় ধুতে পারছেন না।
গত জুন মাসে ভার্জিনিয়ার নরফোক বন্দর ছাড়ার পর থেকে রণতরিটি আটলান্টিক, ভূমধ্যসাগর ও ক্যারিবীয় অঞ্চল হয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যদি এই মোতায়েন এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত গড়ায়, তবে তা হবে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর কোনো মার্কিন রণতরির দীর্ঘতম মোতায়েন।