চরচা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের ভারত থেকে ফেরত আসা নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলল দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “দিল্লি বিমানবন্দরে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে কিছু প্রশ্ন করেন। পরে তিনি যে ওই বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্যই এসেছেন, তা পুনরায় নিশ্চিত করার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি নিজ ইচ্ছায় ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।”
গত ১৪ জুন রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হয়ে ভারতে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিতে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছান ডা. জাহেদ। তার সঙ্গে থাকা অন্য প্রতিনিধিদের বিমানবন্দর পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও ডা. জাহেদকে ২ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। এর ‘প্রতিবাদে’ জাহেদ উর রহমান শ্রীলঙ্কা হয়ে দেশে ফিরে আসেন।
এই ঘটনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে। বাংলাদেশ ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদও জানায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ওই সময় জানায়, নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি তালিকায় (ব্ল্যাকলিস্ট) তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের নাম থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৪ জুন একটি ব্যক্তিগত পাসপোর্টে সার্ক ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন। তার উদ্দেশ্য ছিল ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কমিটির ২৮তম সভায় অংশগ্রহণ করা।”
দেশে ফেরার এক দিন পর সাংবাদিকদের ডা. জাহেদ বলেন, “আমি মনে করি আমার সঙ্গে যা হয়েছে, তাকে হয়রানি বলতে পারেন। তাদের আচরণে মনে হয়েছে, এর একটি যৌক্তিক প্রতিবাদ হওয়া দরকার। আমি সেখানে ব্যক্তি হিসেবে যাইনি। রাষ্টের প্রতিনিধি হয়ে গেছি। যেখানে বসতে দেওয়া হয়েছে সেটিও উপযুক্ত বলে মনে হয়নি। এ অবস্থায় মনে হয়েছে, সবার আগে বাংলাদেশ। তাই সেসবের প্রতিবাদ হিসেবেই ব্যাক (ফেরত) করেছি।”

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের ভারত থেকে ফেরত আসা নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলল দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “দিল্লি বিমানবন্দরে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে কিছু প্রশ্ন করেন। পরে তিনি যে ওই বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্যই এসেছেন, তা পুনরায় নিশ্চিত করার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি নিজ ইচ্ছায় ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।”
গত ১৪ জুন রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হয়ে ভারতে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিতে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছান ডা. জাহেদ। তার সঙ্গে থাকা অন্য প্রতিনিধিদের বিমানবন্দর পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও ডা. জাহেদকে ২ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। এর ‘প্রতিবাদে’ জাহেদ উর রহমান শ্রীলঙ্কা হয়ে দেশে ফিরে আসেন।
এই ঘটনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে। বাংলাদেশ ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদও জানায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ওই সময় জানায়, নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি তালিকায় (ব্ল্যাকলিস্ট) তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের নাম থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৪ জুন একটি ব্যক্তিগত পাসপোর্টে সার্ক ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন। তার উদ্দেশ্য ছিল ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কমিটির ২৮তম সভায় অংশগ্রহণ করা।”
দেশে ফেরার এক দিন পর সাংবাদিকদের ডা. জাহেদ বলেন, “আমি মনে করি আমার সঙ্গে যা হয়েছে, তাকে হয়রানি বলতে পারেন। তাদের আচরণে মনে হয়েছে, এর একটি যৌক্তিক প্রতিবাদ হওয়া দরকার। আমি সেখানে ব্যক্তি হিসেবে যাইনি। রাষ্টের প্রতিনিধি হয়ে গেছি। যেখানে বসতে দেওয়া হয়েছে সেটিও উপযুক্ত বলে মনে হয়নি। এ অবস্থায় মনে হয়েছে, সবার আগে বাংলাদেশ। তাই সেসবের প্রতিবাদ হিসেবেই ব্যাক (ফেরত) করেছি।”