চরচা প্রতিবেদক

দেশজুড়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের কর্মী-সমর্থক, এজেন্ট, ভোটারসহ বিভিন্ন জায়গায় এবং বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। এসব হামলা বন্ধ না হলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াত আমির বলেন, “আজকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের কর্মী-সমর্থক, এজেন্ট, ভোটারসহ বিভিন্ন জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে হামলা হচ্ছে। ব্যক্তির ওপর হামলা হচ্ছে, বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এটা তো ফ্যাসিবাদী তৎপরতা। যে ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর ২০২৬ এর নির্বাচন হলো, সেই নির্বাচনের পর যদি আবারও একই ধরনের ফ্যাসিবাদী তৎপরতা আমরা দেখি, তাহলে এটা জাতির জন্য খুবই দুঃখজনক।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এর সম্পূর্ণ দায় তাদের নিতে হবে, যারা এ ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হবে। আমরা চাইলেও তারা যদি ইতিবাচক ধারার রাজনীতি না চান, তাহলে আমরা জোর করে ইতিবাচক রাজনীতি করতে পারব না।”
জামায়াত আমির বলেন, “নির্বাচনে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছে, যেভাবেই পেয়ে থাকুক, এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট আপত্তি আছে। দায় মূলত তাদেরকেই নিতে হবে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা হবে, যদি তারা সরকার গঠন করেন, এটা তাদের দায়িত্ব। কিন্তু এখন এগুলো কীসের আলামত? এখন এগুলো বন্ধ করতে হবে। এখনই যদি বন্ধ করা না হয়, আমরা বাধ্য হবো যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে।”
সভা শেষে শফিকুর রহমান বলেন, “গতকাল কয়েকটি কেন্দ্রে ফল আটকে রাখা হয়। অনেককে ছাড় দিয়ে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের কাছে প্রমাণ আছে রেজাল্ট শিট পরিবর্তন করা হয়েছে। আমাদের জোটের প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর আসনে কী হয়েছে আপনারা জানেন। একজন নেতার আপনজনের নেতৃত্বে সেখানে যা হয়েছে, তা দেশবাসী দেখেছে। আবার একই বিষয় আমাদের জোটের প্রার্থী মামুনুল হক সাহেবের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হয়নি, অথচ নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিপক্ষের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হয়েছে।”
জামায়াত আমির প্রশ্ন তুলে বলেন, “এক দেশে কি দুই আইন চলবে? এই ধরনের অন্যায় কাজ আরও হয়েছে। আমাদের যাঁদের ওপর অন্যায় হয়েছে, তাঁরা প্রতিকার চাইবেন। সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিকার পেলে ভালো, না হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। বাধ্য করা হলে রাজপথে নামব।”
নির্বাচন কমিশন ন্যায়বিচার করবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আশা করি ইসি ইনসাফ করবে। আমরা দেশে শান্তি ও ঐক্য চাই। এ দেশে থাকতে হলে পরস্পরকে সম্মান করেই থাকতে হবে। এখানে কেউ কারও অধীনস্থ নয়, সবাই সমান। অতীতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, এই কালো অধ্যায়ের অবসান চেয়েছি। ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসলে ছাড় নয়, লড়ে যাব।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি। এ পর্যন্ত ২৯৫টি আসনে পাওয়া বেসরকারি ফলাফলে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। এ ছাড়া ৭৭টিতে জয় পেয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীরা। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন ৮টি আসনে।

দেশজুড়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের কর্মী-সমর্থক, এজেন্ট, ভোটারসহ বিভিন্ন জায়গায় এবং বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। এসব হামলা বন্ধ না হলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াত আমির বলেন, “আজকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের কর্মী-সমর্থক, এজেন্ট, ভোটারসহ বিভিন্ন জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে হামলা হচ্ছে। ব্যক্তির ওপর হামলা হচ্ছে, বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এটা তো ফ্যাসিবাদী তৎপরতা। যে ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর ২০২৬ এর নির্বাচন হলো, সেই নির্বাচনের পর যদি আবারও একই ধরনের ফ্যাসিবাদী তৎপরতা আমরা দেখি, তাহলে এটা জাতির জন্য খুবই দুঃখজনক।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এর সম্পূর্ণ দায় তাদের নিতে হবে, যারা এ ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হবে। আমরা চাইলেও তারা যদি ইতিবাচক ধারার রাজনীতি না চান, তাহলে আমরা জোর করে ইতিবাচক রাজনীতি করতে পারব না।”
জামায়াত আমির বলেন, “নির্বাচনে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছে, যেভাবেই পেয়ে থাকুক, এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট আপত্তি আছে। দায় মূলত তাদেরকেই নিতে হবে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা হবে, যদি তারা সরকার গঠন করেন, এটা তাদের দায়িত্ব। কিন্তু এখন এগুলো কীসের আলামত? এখন এগুলো বন্ধ করতে হবে। এখনই যদি বন্ধ করা না হয়, আমরা বাধ্য হবো যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে।”
সভা শেষে শফিকুর রহমান বলেন, “গতকাল কয়েকটি কেন্দ্রে ফল আটকে রাখা হয়। অনেককে ছাড় দিয়ে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের কাছে প্রমাণ আছে রেজাল্ট শিট পরিবর্তন করা হয়েছে। আমাদের জোটের প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর আসনে কী হয়েছে আপনারা জানেন। একজন নেতার আপনজনের নেতৃত্বে সেখানে যা হয়েছে, তা দেশবাসী দেখেছে। আবার একই বিষয় আমাদের জোটের প্রার্থী মামুনুল হক সাহেবের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হয়নি, অথচ নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিপক্ষের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হয়েছে।”
জামায়াত আমির প্রশ্ন তুলে বলেন, “এক দেশে কি দুই আইন চলবে? এই ধরনের অন্যায় কাজ আরও হয়েছে। আমাদের যাঁদের ওপর অন্যায় হয়েছে, তাঁরা প্রতিকার চাইবেন। সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিকার পেলে ভালো, না হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। বাধ্য করা হলে রাজপথে নামব।”
নির্বাচন কমিশন ন্যায়বিচার করবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আশা করি ইসি ইনসাফ করবে। আমরা দেশে শান্তি ও ঐক্য চাই। এ দেশে থাকতে হলে পরস্পরকে সম্মান করেই থাকতে হবে। এখানে কেউ কারও অধীনস্থ নয়, সবাই সমান। অতীতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, এই কালো অধ্যায়ের অবসান চেয়েছি। ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসলে ছাড় নয়, লড়ে যাব।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি। এ পর্যন্ত ২৯৫টি আসনে পাওয়া বেসরকারি ফলাফলে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। এ ছাড়া ৭৭টিতে জয় পেয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীরা। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন ৮টি আসনে।