চরচা ডেস্ক

ইশ, হ্যাটট্রিকটা হলো না! ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোলটা হতে হতেও হলো না, হ্যাটট্রিকটা আর পাওয়া হলো না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। ধারাভাষ্যকার বলছিলেন, রোনালদোর হ্যাটট্রিক না হওয়াই এই ম্যাচে পর্তুগালের একমাত্র অপ্রাপ্তি।
বয়স ৪১ হয়ে গেছে। নির্দিষ্ট করে বললে আজ উজবেকিস্তানের সঙ্গে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলতে নামলেন ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে। এ বয়সে সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে ভিআইপি গ্যালারিতে বসে ম্যাচ উপভোগ করার কথা তার। কিন্তু নামটা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেই হয়তো, এ বয়সেও তিনি বিশ্বকাপে খেলাকে অবিশ্বাস্য কিছু আর মনে হয় না। নামটা রোনালদো বলেই এ বয়সেও তিনি দলের অন্যতম বড় ভরসা।
এবং সামর্থে ভাটা পড়লেও এ বয়সেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির সঙ্গে দ্বৈরথটাতে এতটুকু ছাড় দেওয়ার ইচ্ছা রোনালদোর নেই!
কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের ১-১ গোলে ড্রয়ের পথে তার পারফরম্যান্স প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল অনেক। এ বয়সে তিনি দলের বোঝা কি না, সে অপ্রিয় প্রশ্ন আরও জোরদার হয়েছে। সমালোচনা বুঝি রোনালদোকে তাতিয়ে দিয়েছে, তার ঝাল টের পেল আজ উজবেকিস্তান।
হিউস্টনে আজ রোনালদো করেছেন জোড়া গোল, তাতে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়েছে পর্তুগাল।
রোনালদো যেহেতু, স্বাভাবিকভাবেই গোলের হাত ধরে রেকর্ডেরও মেলা বসেছে। আজ দুই গোলে মেসির এক রেকর্ড ছুঁয়েছেন রোনালদো, আরেক রেকর্ডে পেরিয়ে গেছেন। আর একটা রেকর্ডে এমন জায়গায় চলে গেছেন রোনালদো, যা মেসির নাগালের বাইরেই থেকে যাবে।
প্রথম গোলেই হলো দুই রেকর্ড। ৬ মিনিটে পর্তুগালের প্রথম গোলটি করতেই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড গড়ে ফেললেন রোনালদো। মেসিও এবার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন, কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপে গোলহীন মেসির কখনো এই রেকর্ড আর ছোঁয়া হবে না।
একই সঙ্গে মেসিকে যে রেকর্ডে ছুঁয়ে ফেললেন, তা বিশ্বকাপে প্রথম ও সর্বশেষ গোলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিনের পার্থক্যের। ২০০৬ বিশ্বকাপে ১৬ জুন সার্বিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোলের পর গতকাল অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজের ১৭ ও ১৮তম গোলটি মেসি করলেন, মাঝে কেটে গেছে ২০ বছর ১১ দিন। রোনালদোর ক্ষেত্রেও সময়ের পার্থক্যটা ঠিক একই। ২০০৬ বিশ্বকাপে ১৭ জুন ইরানকে দিয়ে রোনালদোর গোল-যাত্রার শুরু, আজ নিজের ৯ম ও ১০ম গোল করলেন। গোলসংখ্যায় সমতা না থাকুক, দুই দশকের ব্যবধান দুই মহাতারকার বিশ্বমঞ্চে ছড়ি ঘোরানোর দৈর্ঘ্যের কথা বলে।
৩৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে মেসির গতকালই গড়া আরেক রেকর্ড পেরিয়ে গেলেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুই গোলে মেসি গড়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে কোনো ম্যাচে জোড়া গোলের রেকর্ড, গতকাল মেসির বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। রোনালদো আজ সে রেকর্ডকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেলেন।
সে পথে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাও বনে গেলেন, পেছনে পড়ে গেলেন আরেক পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিও।
রোনালদোময় ম্যাচে পর্তুগালের সেরা খেলোয়াড় অবশ্য ছিলেন লেফটব্যাক নুনো মেন্দেস। রোনালদোর দুই গোলের মাঝে ১৭ মিনিটে পর্তুগালের দ্বিতীয় গোলটি করেছেন নুনো মেন্দেস, পুরো ম্যাচে রোনালদোদের আক্রমণে দারুণ সব ক্রসে উৎসও হয়ে ছিলেন।
পর্তুগালের বাকি দুই গোল দ্বিতীয়ার্ধে, এর মধ্যে ৬০ মিনিটে পর্তুগালের চতুর্থ গোলটি উজবেক গোলকিপার নেমাতভের আত্মঘাতী। ৮৭ মিনিটে পর্তুগালের পঞ্চম গোলটি বদলি নামা রাফায়েল লিয়াওয়ের।
পর্তুগাল ছন্দে ফিরল, রোনালদোর জবাব দেওয়া হলো, আপাতত কলম্বিয়ার ম্যাচের আগে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও থাকছে পর্তুগাল। আক্ষেপ শুধু একটাই, কখনো উজবেক ডিফেন্ডার খুসানভের গোললাইন সেইভ, কখনো অল্পের জন্য মিস রোনালদোর হ্যাটট্রিকটা হতে দিল না।

ইশ, হ্যাটট্রিকটা হলো না! ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোলটা হতে হতেও হলো না, হ্যাটট্রিকটা আর পাওয়া হলো না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। ধারাভাষ্যকার বলছিলেন, রোনালদোর হ্যাটট্রিক না হওয়াই এই ম্যাচে পর্তুগালের একমাত্র অপ্রাপ্তি।
বয়স ৪১ হয়ে গেছে। নির্দিষ্ট করে বললে আজ উজবেকিস্তানের সঙ্গে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলতে নামলেন ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে। এ বয়সে সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে ভিআইপি গ্যালারিতে বসে ম্যাচ উপভোগ করার কথা তার। কিন্তু নামটা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেই হয়তো, এ বয়সেও তিনি বিশ্বকাপে খেলাকে অবিশ্বাস্য কিছু আর মনে হয় না। নামটা রোনালদো বলেই এ বয়সেও তিনি দলের অন্যতম বড় ভরসা।
এবং সামর্থে ভাটা পড়লেও এ বয়সেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির সঙ্গে দ্বৈরথটাতে এতটুকু ছাড় দেওয়ার ইচ্ছা রোনালদোর নেই!
কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের ১-১ গোলে ড্রয়ের পথে তার পারফরম্যান্স প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল অনেক। এ বয়সে তিনি দলের বোঝা কি না, সে অপ্রিয় প্রশ্ন আরও জোরদার হয়েছে। সমালোচনা বুঝি রোনালদোকে তাতিয়ে দিয়েছে, তার ঝাল টের পেল আজ উজবেকিস্তান।
হিউস্টনে আজ রোনালদো করেছেন জোড়া গোল, তাতে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়েছে পর্তুগাল।
রোনালদো যেহেতু, স্বাভাবিকভাবেই গোলের হাত ধরে রেকর্ডেরও মেলা বসেছে। আজ দুই গোলে মেসির এক রেকর্ড ছুঁয়েছেন রোনালদো, আরেক রেকর্ডে পেরিয়ে গেছেন। আর একটা রেকর্ডে এমন জায়গায় চলে গেছেন রোনালদো, যা মেসির নাগালের বাইরেই থেকে যাবে।
প্রথম গোলেই হলো দুই রেকর্ড। ৬ মিনিটে পর্তুগালের প্রথম গোলটি করতেই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড গড়ে ফেললেন রোনালদো। মেসিও এবার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন, কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপে গোলহীন মেসির কখনো এই রেকর্ড আর ছোঁয়া হবে না।
একই সঙ্গে মেসিকে যে রেকর্ডে ছুঁয়ে ফেললেন, তা বিশ্বকাপে প্রথম ও সর্বশেষ গোলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিনের পার্থক্যের। ২০০৬ বিশ্বকাপে ১৬ জুন সার্বিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোলের পর গতকাল অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজের ১৭ ও ১৮তম গোলটি মেসি করলেন, মাঝে কেটে গেছে ২০ বছর ১১ দিন। রোনালদোর ক্ষেত্রেও সময়ের পার্থক্যটা ঠিক একই। ২০০৬ বিশ্বকাপে ১৭ জুন ইরানকে দিয়ে রোনালদোর গোল-যাত্রার শুরু, আজ নিজের ৯ম ও ১০ম গোল করলেন। গোলসংখ্যায় সমতা না থাকুক, দুই দশকের ব্যবধান দুই মহাতারকার বিশ্বমঞ্চে ছড়ি ঘোরানোর দৈর্ঘ্যের কথা বলে।
৩৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে মেসির গতকালই গড়া আরেক রেকর্ড পেরিয়ে গেলেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুই গোলে মেসি গড়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে কোনো ম্যাচে জোড়া গোলের রেকর্ড, গতকাল মেসির বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। রোনালদো আজ সে রেকর্ডকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেলেন।
সে পথে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাও বনে গেলেন, পেছনে পড়ে গেলেন আরেক পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিও।
রোনালদোময় ম্যাচে পর্তুগালের সেরা খেলোয়াড় অবশ্য ছিলেন লেফটব্যাক নুনো মেন্দেস। রোনালদোর দুই গোলের মাঝে ১৭ মিনিটে পর্তুগালের দ্বিতীয় গোলটি করেছেন নুনো মেন্দেস, পুরো ম্যাচে রোনালদোদের আক্রমণে দারুণ সব ক্রসে উৎসও হয়ে ছিলেন।
পর্তুগালের বাকি দুই গোল দ্বিতীয়ার্ধে, এর মধ্যে ৬০ মিনিটে পর্তুগালের চতুর্থ গোলটি উজবেক গোলকিপার নেমাতভের আত্মঘাতী। ৮৭ মিনিটে পর্তুগালের পঞ্চম গোলটি বদলি নামা রাফায়েল লিয়াওয়ের।
পর্তুগাল ছন্দে ফিরল, রোনালদোর জবাব দেওয়া হলো, আপাতত কলম্বিয়ার ম্যাচের আগে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও থাকছে পর্তুগাল। আক্ষেপ শুধু একটাই, কখনো উজবেক ডিফেন্ডার খুসানভের গোললাইন সেইভ, কখনো অল্পের জন্য মিস রোনালদোর হ্যাটট্রিকটা হতে দিল না।