চরচা প্রতিবেদক

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে কর্মরত ১৭ জন আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল।
আজ মঙ্গলবার পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পৃথক পদত্যাগপত্রে তারা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। পদত্যাগ করা আইন কর্মকর্তারা সবাই জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত।
পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।
এছাড়া পদত্যাগ করা সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের মধ্যে রয়েছেন- ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির এবং রেজাউল ইসলাম।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পর তারা নিয়োগ পেয়েছিলেন।
পদত্যাগপত্রে তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নিয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এসব কারণে সাংবিধানিক শাসন, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে কর্মরত ১৭ জন আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল।
আজ মঙ্গলবার পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পৃথক পদত্যাগপত্রে তারা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। পদত্যাগ করা আইন কর্মকর্তারা সবাই জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত।
পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।
এছাড়া পদত্যাগ করা সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের মধ্যে রয়েছেন- ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির এবং রেজাউল ইসলাম।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পর তারা নিয়োগ পেয়েছিলেন।
পদত্যাগপত্রে তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নিয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এসব কারণে সাংবিধানিক শাসন, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন।