চরচা প্রতিবেদক

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা পরিস্থিতি নিয়ে আঁচল ফাউন্ডেশনের নতুন সমীক্ষায় প্রকাশিত পরিসংখ্যান দেশে গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিয়েছে। আজ শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের সার্বিক তথ্য তুলে ধরে সংগঠনটি জানায়, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ও সামাজিক কাঠামোর দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।
১৬৫টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ পর্যালোচনা করে এই সমীক্ষা বিশ্লেষণ করেছে ফাউন্ডেশনটি।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনিস আহমেদ, ডা. সৈয়দ মাহফুজুল আলমসহ দেশের চিকিৎসক ও গবেষকরা।
ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেছে স্কুল শিক্ষার্থী, ১৯০ জন। কলেজ পর্যায়ে ৯২ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৭ জন এবং মাদ্রাসায় ৪৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নারী শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার হার পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি–২৪৯ নারী ও ১৫৪ জন পুরুষ।
কারণভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হতাশায় ২৭.৭৯ শতাংশ ও অভিমানে ২৩.৩২ শতাংশ ছিল আত্মহত্যার প্রধান দুই কারণ। একাডেমিক চাপ, প্রেমঘটিত টানাপোড়েন, পারিবারিক বিরোধ, মানসিক অস্থিরতা এবং যৌন নির্যাতনও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর আত্মহত্যার হার ৬৬ শতাংশ, যা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি।
বিভাগভিত্তিক চিত্রে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১১৮ জন আত্মহত্যা করেছে, এরপর চট্টগ্রামে ৬৩, বরিশালে ৫৭ এবং রাজশাহী বিভাগে ৫০ জন। ফাউন্ডেশন বলছে, শহুরে জীবন, প্রতিযোগিতা ও পারিবারিক বিচ্ছিন্নতায় এ প্রবণতা বাড়ছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে হতাশা ও প্রেমঘটিত সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৪৪ জন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের, ১৭ জন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
স্কুল পর্যায়ে অভিমান ও একাডেমিক চাপ বেশি, কলেজে হতাশা, আর মাদ্রাসায় অভিমান–হতাশা প্রধান কারণ।
শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা রোধে আঁচল ফাউন্ডেশন পাঁচ দফা সুপারিশ করেছে–শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা চালু, শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ, সচেতনতা প্রচার, অভিভাবক সম্পৃক্ততা এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের সাইকোসোশ্যাল প্রশিক্ষণ।
ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ১০১ জন শিক্ষার্থী, ২০২২ সালে ৫৩২ জন, ২০২৩ সালে ৫১৩ জন এবং ২০২৪ সালে মোট ৩১০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে।

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা পরিস্থিতি নিয়ে আঁচল ফাউন্ডেশনের নতুন সমীক্ষায় প্রকাশিত পরিসংখ্যান দেশে গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিয়েছে। আজ শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের সার্বিক তথ্য তুলে ধরে সংগঠনটি জানায়, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ও সামাজিক কাঠামোর দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।
১৬৫টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ পর্যালোচনা করে এই সমীক্ষা বিশ্লেষণ করেছে ফাউন্ডেশনটি।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আনিস আহমেদ, ডা. সৈয়দ মাহফুজুল আলমসহ দেশের চিকিৎসক ও গবেষকরা।
ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেছে স্কুল শিক্ষার্থী, ১৯০ জন। কলেজ পর্যায়ে ৯২ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৭ জন এবং মাদ্রাসায় ৪৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নারী শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার হার পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি–২৪৯ নারী ও ১৫৪ জন পুরুষ।
কারণভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হতাশায় ২৭.৭৯ শতাংশ ও অভিমানে ২৩.৩২ শতাংশ ছিল আত্মহত্যার প্রধান দুই কারণ। একাডেমিক চাপ, প্রেমঘটিত টানাপোড়েন, পারিবারিক বিরোধ, মানসিক অস্থিরতা এবং যৌন নির্যাতনও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর আত্মহত্যার হার ৬৬ শতাংশ, যা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি।
বিভাগভিত্তিক চিত্রে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১১৮ জন আত্মহত্যা করেছে, এরপর চট্টগ্রামে ৬৩, বরিশালে ৫৭ এবং রাজশাহী বিভাগে ৫০ জন। ফাউন্ডেশন বলছে, শহুরে জীবন, প্রতিযোগিতা ও পারিবারিক বিচ্ছিন্নতায় এ প্রবণতা বাড়ছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে হতাশা ও প্রেমঘটিত সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৪৪ জন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের, ১৭ জন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
স্কুল পর্যায়ে অভিমান ও একাডেমিক চাপ বেশি, কলেজে হতাশা, আর মাদ্রাসায় অভিমান–হতাশা প্রধান কারণ।
শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা রোধে আঁচল ফাউন্ডেশন পাঁচ দফা সুপারিশ করেছে–শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা চালু, শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ, সচেতনতা প্রচার, অভিভাবক সম্পৃক্ততা এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের সাইকোসোশ্যাল প্রশিক্ষণ।
ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ১০১ জন শিক্ষার্থী, ২০২২ সালে ৫৩২ জন, ২০২৩ সালে ৫১৩ জন এবং ২০২৪ সালে মোট ৩১০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে।