Advertisement Banner

আলিবাবা-অ্যামাজনে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
আলিবাবা-অ্যামাজনে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি: বাসস

বাংলাদেশের ছোট ও মাঝারি রপ্তানিকারকরা এখন থেকে সরাসরি আলিবাবা, আলিএক্সপ্রেস ও অ্যামাজনের মতো বিশ্বের শীর্ষ অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারির পর রপ্তানিকারকদের জন্য এই সুযোগ অবারিত হয়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একজন রপ্তানিকারক একবারে সর্বোচ্চ ৫ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য আন্তজাতিক মার্কেটপ্লেসগুলোর মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে পণ্যের দাম ও পরিবহন খরচ বহন করতে হবে বিক্রেতাকে।

অগ্রিম টাকা ব্যাংকিং চ্যানেল অথবা স্বীকৃত ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে আগে পাওয়া গেলে এক হাজার ডলার পর্যন্ত চালানের জন্য রপ্তানির সময় সাধারণ নিয়মে যে ‘ইএক্সপি’ ফরম পূরণ করতে হয়, তার প্রয়োজন হবে না। এর বেশি অঙ্কের রপ্তানিতে আগের নিয়ম মানতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই সুবিধা নিতে চাইলে ব্যবসায়ীদের নিজ ব্যাংকের কাছে সংশ্লিষ্ট মার্কেটপ্লেসের সঙ্গে তাদের বৈধ চুক্তির প্রমান দিতে হবে। এর মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ ও কোনো বিরোধ হলে তা মেটানোর পদ্ধতি স্পষ্ট হবে। পণ্য বিক্রির পর মার্কেটপ্লেস বা বিদেশি ক্রেতাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকিং চ্যানেল বা ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা দেশে পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রপ্তানি কাগজপত্র জমার ১৪ দিনের মধ্যে ব্যাংক ওই টাকা রপ্তানিকারকের হিসাবে জমা করে দেবে।

পণ্যের মান নিয়ে অভিযোগ উঠলে বা পণ্য ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হলে রপ্তানিকারকের জমা থাকা ডলার থেকে বিদেশি ক্রেতাকে অর্থ ফেরত দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে। মার্কেটপ্লেসে নিবন্ধন বা সদস্য ফি দেওয়ার জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বিদেশে টাকা পাঠানোরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা সার্কুলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে দেওয়া আগের একটি নির্দেশনার ভিত্তিতেই এই সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সরাসরি বিশ্ববাজারে দেশের ছোট রপ্তানিকারকদের পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরি করতেই এই উদোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত