চরচা ডেস্ক

চতুর্থ দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল বলেছিলেন, ২৬০ রানের লক্ষ্য দিয়ে জয়ের চ্যালেঞ্জ নিতে চাইবেন তারা। অন্যদিকে পাকিস্তানের সালমান আগা স্পষ্টই বলে দেন, স্বাগতিকরা এটা করবে বলে তার মনে হয় না। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের ব্যাটিং অবশ্য সেই মঞ্চই তৈরি করেছে। জেতার জন্য খেলেই পাকিস্তানকে দিয়েছে ২৬৮ রানের লক্ষ্য। দুই সেশনে পাকিস্তানের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ—জেতা অথবা ড্রয়ের জন্য লড়াই করা।
নাজমুলের ৮৭ রানে ভর করে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ২৪০ রানে। মধ্যাহ্ন বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৬ রান।
মিরপুরে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড ২০৯ রানের। ফলে পঞ্চম দিনে বাংলাদেশ কোন মানসিকতা নিয়ে খেলবে, সেটাই ছিল দেখার বিষয়। নাজমুল ধরে খেললেও অন্তত অন্যদের আগ্রাসী ব্যাটিং হয়তো ম্যাচে রোমাঞ্চ ফিরিয়ে আনতে পারত। তবে দিনের শুরুতেই মুশফিকুর রহিমের (২২) আউটে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
এরপর লিড ২২০ রান পার হতেই শাহিন শাহ আফ্রিদির শিকার হন লিটন দাসও (১১)। মেহেদি হাসান মিরাজ ইতিবাচক ব্যাটিং করলেও অন্যপ্রান্তে খোলসবন্দি হয়ে যান নাজমুল। শেষ পর্যন্ত নোমান আলিকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন ৮৭ রানে। ২৭ বলে ২৪ করা মিরাজও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ।
রান তাড়ায় ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে উইকেটের পেছনে ক্যাচে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ক্রমেই স্পিন-সহায়ক হয়ে ওঠা উইকেটের সুবিধা কাজে লাগাতে মিরাজকে আক্রমণে আনেন নাজমুল।
বিরতির আগে সফলতা না পেলেও পরের দুই সেশনে বাংলাদেশকে জিততে হলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে মিরাজ ও অন্য স্পিনার তাইজুল ইসলামকে। তারা কি পারবেন আরেকটি স্মরণীয় জয় এনে দিতে?

চতুর্থ দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল বলেছিলেন, ২৬০ রানের লক্ষ্য দিয়ে জয়ের চ্যালেঞ্জ নিতে চাইবেন তারা। অন্যদিকে পাকিস্তানের সালমান আগা স্পষ্টই বলে দেন, স্বাগতিকরা এটা করবে বলে তার মনে হয় না। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের ব্যাটিং অবশ্য সেই মঞ্চই তৈরি করেছে। জেতার জন্য খেলেই পাকিস্তানকে দিয়েছে ২৬৮ রানের লক্ষ্য। দুই সেশনে পাকিস্তানের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ—জেতা অথবা ড্রয়ের জন্য লড়াই করা।
নাজমুলের ৮৭ রানে ভর করে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ২৪০ রানে। মধ্যাহ্ন বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৬ রান।
মিরপুরে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড ২০৯ রানের। ফলে পঞ্চম দিনে বাংলাদেশ কোন মানসিকতা নিয়ে খেলবে, সেটাই ছিল দেখার বিষয়। নাজমুল ধরে খেললেও অন্তত অন্যদের আগ্রাসী ব্যাটিং হয়তো ম্যাচে রোমাঞ্চ ফিরিয়ে আনতে পারত। তবে দিনের শুরুতেই মুশফিকুর রহিমের (২২) আউটে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
এরপর লিড ২২০ রান পার হতেই শাহিন শাহ আফ্রিদির শিকার হন লিটন দাসও (১১)। মেহেদি হাসান মিরাজ ইতিবাচক ব্যাটিং করলেও অন্যপ্রান্তে খোলসবন্দি হয়ে যান নাজমুল। শেষ পর্যন্ত নোমান আলিকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন ৮৭ রানে। ২৭ বলে ২৪ করা মিরাজও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ।
রান তাড়ায় ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে উইকেটের পেছনে ক্যাচে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ক্রমেই স্পিন-সহায়ক হয়ে ওঠা উইকেটের সুবিধা কাজে লাগাতে মিরাজকে আক্রমণে আনেন নাজমুল।
বিরতির আগে সফলতা না পেলেও পরের দুই সেশনে বাংলাদেশকে জিততে হলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে মিরাজ ও অন্য স্পিনার তাইজুল ইসলামকে। তারা কি পারবেন আরেকটি স্মরণীয় জয় এনে দিতে?