চরচা ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন-সংক্রান্ত চিঠিতে, বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলের দিকে কলকাতার ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অভিযান চালায় সিআইডির একটি দল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সিআইডির তিনটি পৃথক দল তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। এরমধ্যে একটি দল মমতার বাসভবনে, আরেকটি দল তার ভাতিজা ও সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। এছাড়া তৃতীয় দলটি অভিষেকের বাসভবসে তল্লাশি করেছে।
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে স্পিকারকে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর সংবলিত চিঠি দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করেননি বলে দাবি করেন কয়েকজন বিধায়ক।
তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিধায়ক ঋতাব্রত ব্যানার্জী এবং সন্দীপন সাহা বিধানসভার স্পিকারকে জানান, দলের ৬ মে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।
তাদের অভিযোগ, ৬ মের প্রস্তাবটি পরে তৈরি ও জাল করা হয়েছে। তাদের দাবি, মোট ৭০টি স্বাক্ষরের মধ্যে ১৪টি স্বাক্ষর বড় হাতের অক্ষরে লেখা ছিল। এটি সন্দেহজনক ঘটনা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা (এফআইআর) দায়ের করা হয় এবং সিআইডি তদন্ত শুরু করে।
পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে ওই দুই বিধায়কের নাম প্রকাশ করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তৃণমূল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন-সংক্রান্ত চিঠিতে, বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলের দিকে কলকাতার ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অভিযান চালায় সিআইডির একটি দল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সিআইডির তিনটি পৃথক দল তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। এরমধ্যে একটি দল মমতার বাসভবনে, আরেকটি দল তার ভাতিজা ও সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। এছাড়া তৃতীয় দলটি অভিষেকের বাসভবসে তল্লাশি করেছে।
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে স্পিকারকে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর সংবলিত চিঠি দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করেননি বলে দাবি করেন কয়েকজন বিধায়ক।
তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিধায়ক ঋতাব্রত ব্যানার্জী এবং সন্দীপন সাহা বিধানসভার স্পিকারকে জানান, দলের ৬ মে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।
তাদের অভিযোগ, ৬ মের প্রস্তাবটি পরে তৈরি ও জাল করা হয়েছে। তাদের দাবি, মোট ৭০টি স্বাক্ষরের মধ্যে ১৪টি স্বাক্ষর বড় হাতের অক্ষরে লেখা ছিল। এটি সন্দেহজনক ঘটনা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা (এফআইআর) দায়ের করা হয় এবং সিআইডি তদন্ত শুরু করে।
পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে ওই দুই বিধায়কের নাম প্রকাশ করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তৃণমূল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়।