চরচা প্রতিবেদক

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
আজ রোববার কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে পুরো শহরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে।
মো. আবদুস সালাম জানান, কেবল কোরবানির বর্জ্যই নয়, সাধারণ নগর বর্জ্য অপসারণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুই এখন সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। কর্মী সংকট নিরসনে ইতোমধ্যে সরকারকে জানানো হয়েছে এবং জনবল বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “রাজধানীর ৭৫টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি নির্ধারণে ইতোমধ্যে জরিপ (সার্ভে) সম্পন্ন হয়েছে। যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর প্রভাব বেশি হতে পারে, সেখানে আগামী সপ্তাহ থেকেই বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ চালু করা হবে। এর আওতায় প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক নানা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নগর ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের আরও ক্ষমতায়ন করা হয়েছে যাতে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। যার যেখানে দায়িত্ব, সেখানে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না।
ডিএসসিসি প্রশাসক দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকির কারণে নগর পরিষেবা কার্যক্রমে বড় ধরনের গতি এসেছে। তিনি বলেন, “আমরা সৌভাগ্যবান যে এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি নিয়মিত আমাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। এতে একটি শক্তিশালী জবাবদিহিতা তৈরি হয়েছে। এই জবাবদিহিতা যদি ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত পুরোপুরি পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে নগর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।”
তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে যেন প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকি ছাড়াই সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব উদ্যোগেই সব কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই তারা কাজ করছেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা নতুন সংযুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, বিশেষ করে শ্যামপুর ও জুরাইন এলাকার নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
জবাবে প্রশাসক দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, “নতুন সংযুক্ত ওয়ার্ডগুলোতে এখনো পূর্ণাঙ্গ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা সম্ভব হয়নি। অনেক জায়গায় ড্রেনেজ, রাস্তা ও লাইটিং ব্যবস্থার বড় ঘাটতি রয়েছে। মানুষ বাধ্য হয়ে ড্রেন বা খালে ময়লা ফেলছে। তবে এসব সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য একটি মাস্টার প্ল্যান রয়েছে এবং সরকারের কাছে বিশেষ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।”
নগর পরিচ্ছন্নতায় নাগরিক সচেতনতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে আবদুস সালাম বলেন, “জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া শতভাগ সাফল্য সম্ভব নয়। শহর পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের হলে, বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব নাগরিকদের।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, নগর পরিচ্ছন্নতায় কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না। প্রতিটি ওয়ার্ডের সমস্যা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
আজ রোববার কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে পুরো শহরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলমান রয়েছে।
মো. আবদুস সালাম জানান, কেবল কোরবানির বর্জ্যই নয়, সাধারণ নগর বর্জ্য অপসারণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখা এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুই এখন সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। কর্মী সংকট নিরসনে ইতোমধ্যে সরকারকে জানানো হয়েছে এবং জনবল বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “রাজধানীর ৭৫টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি নির্ধারণে ইতোমধ্যে জরিপ (সার্ভে) সম্পন্ন হয়েছে। যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর প্রভাব বেশি হতে পারে, সেখানে আগামী সপ্তাহ থেকেই বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ চালু করা হবে। এর আওতায় প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক নানা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নগর ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের আরও ক্ষমতায়ন করা হয়েছে যাতে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। যার যেখানে দায়িত্ব, সেখানে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না।
ডিএসসিসি প্রশাসক দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকির কারণে নগর পরিষেবা কার্যক্রমে বড় ধরনের গতি এসেছে। তিনি বলেন, “আমরা সৌভাগ্যবান যে এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি নিয়মিত আমাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। এতে একটি শক্তিশালী জবাবদিহিতা তৈরি হয়েছে। এই জবাবদিহিতা যদি ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত পুরোপুরি পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে নগর ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।”
তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে যেন প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকি ছাড়াই সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব উদ্যোগেই সব কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই তারা কাজ করছেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা নতুন সংযুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, বিশেষ করে শ্যামপুর ও জুরাইন এলাকার নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
জবাবে প্রশাসক দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, “নতুন সংযুক্ত ওয়ার্ডগুলোতে এখনো পূর্ণাঙ্গ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা সম্ভব হয়নি। অনেক জায়গায় ড্রেনেজ, রাস্তা ও লাইটিং ব্যবস্থার বড় ঘাটতি রয়েছে। মানুষ বাধ্য হয়ে ড্রেন বা খালে ময়লা ফেলছে। তবে এসব সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য একটি মাস্টার প্ল্যান রয়েছে এবং সরকারের কাছে বিশেষ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।”
নগর পরিচ্ছন্নতায় নাগরিক সচেতনতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে আবদুস সালাম বলেন, “জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া শতভাগ সাফল্য সম্ভব নয়। শহর পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের হলে, বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব নাগরিকদের।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, নগর পরিচ্ছন্নতায় কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না। প্রতিটি ওয়ার্ডের সমস্যা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।