চরচা প্রতিবেদক

পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৮) নামের এক নারী পুলিশ কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি কলাপাড়া থানায় কর্মরত ছিলেন।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ শনিবার ভোরে টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামের ভাড়া বাসার তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দুই সন্তানের মা উর্মি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামের বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্য মহিববুর রহমান বাপ্পীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উর্মি প্রায় ৮ মাস আগে স্বামী বাপ্পী, দেড় বছরের শিশু ফারদিন ও চার বছরের সন্তান ফারিস্তাকে নিয়ে ওই এলাকার আমিরুল ইসলামের পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়ায় বসবাস শুরু করেন। মাঝেমধ্যেই পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বাপ্পী থানা-পুলিশকে জানায়, তার স্ত্রী ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, মানসিক শান্তনা দেওয়ার জন্য ওই নারী পুলিশ সদস্যের স্বামী ও দুই সন্তানকে থানায় আনা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৮) নামের এক নারী পুলিশ কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি কলাপাড়া থানায় কর্মরত ছিলেন।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ শনিবার ভোরে টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামের ভাড়া বাসার তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দুই সন্তানের মা উর্মি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামের বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্য মহিববুর রহমান বাপ্পীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উর্মি প্রায় ৮ মাস আগে স্বামী বাপ্পী, দেড় বছরের শিশু ফারদিন ও চার বছরের সন্তান ফারিস্তাকে নিয়ে ওই এলাকার আমিরুল ইসলামের পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়ায় বসবাস শুরু করেন। মাঝেমধ্যেই পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বাপ্পী থানা-পুলিশকে জানায়, তার স্ত্রী ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, মানসিক শান্তনা দেওয়ার জন্য ওই নারী পুলিশ সদস্যের স্বামী ও দুই সন্তানকে থানায় আনা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে।