চরচা ডেস্ক

শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষাকে কেবল খরচের খাত হিসেবে দেখবে না, বরং শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদ তৈরির মূল কারখানা ও জাতি গঠনের প্রধান প্রকল্প।
দায়িত্ব গ্রহণের দুদিন পর আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। এটা আমাদের সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার।”
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সংস্কার ও উন্নয়নের ১২ দফা এজেন্ডা এবং একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরেন।
ববি হাজ্জাজ জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, শিক্ষা খাতে মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫-২০ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে ৩ বছর মেয়াদী ‘ফিসকাল আপলিফট প্ল্যান’ গ্রহণ করা হবে।
ববি হাজ্জাজ জানান, মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং সাধারণ শিক্ষার সাথে কারিগরি শিক্ষার ‘ব্রিজ কোর্স’ চালু করা হবে, যাতে কোনো শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ারে ‘ডেড এন্ড’ তৈরি না হয়।
শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বৈশ্বিক চাহিদা বিবেচনায় বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এ ছাড়া পাঠ্যবই ও পরীক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মুখস্থবিদ্যার বদলে সৃজনশীল চিন্তাধারা উৎসাহিত করতে আইটেম ব্যাংক ও ব্লুপ্রিন্ট ভিত্তিক পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল পাঠদানের কেন্দ্র নয়, বরং ‘জ্ঞান প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে গড়ে তুলতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ইনোভেশন গ্র্যান্ট চালুর ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।
এ ছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট লোন এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনাও সরকারের এজেন্ডায় রয়েছে বলেও জানান শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফেরাতে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে একটি ‘পাবলিক ড্যাশবোর্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রকল্প অগ্রগতি, বই বিতরণ এবং ক্লাসের ঘণ্টা তদারকি করতে পারবেন নাগরিকরা।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করব না, শিক্ষা দিয়ে রাষ্ট্র গড়ব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য–সার্টিফিকেট নয়, সক্ষমতা অর্জন। সেই সক্ষমতা অর্জনেই কাজ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।”

শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষাকে কেবল খরচের খাত হিসেবে দেখবে না, বরং শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদ তৈরির মূল কারখানা ও জাতি গঠনের প্রধান প্রকল্প।
দায়িত্ব গ্রহণের দুদিন পর আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। এটা আমাদের সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার।”
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সংস্কার ও উন্নয়নের ১২ দফা এজেন্ডা এবং একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরেন।
ববি হাজ্জাজ জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, শিক্ষা খাতে মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫-২০ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে ৩ বছর মেয়াদী ‘ফিসকাল আপলিফট প্ল্যান’ গ্রহণ করা হবে।
ববি হাজ্জাজ জানান, মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং সাধারণ শিক্ষার সাথে কারিগরি শিক্ষার ‘ব্রিজ কোর্স’ চালু করা হবে, যাতে কোনো শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ারে ‘ডেড এন্ড’ তৈরি না হয়।
শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বৈশ্বিক চাহিদা বিবেচনায় বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এ ছাড়া পাঠ্যবই ও পরীক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মুখস্থবিদ্যার বদলে সৃজনশীল চিন্তাধারা উৎসাহিত করতে আইটেম ব্যাংক ও ব্লুপ্রিন্ট ভিত্তিক পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল পাঠদানের কেন্দ্র নয়, বরং ‘জ্ঞান প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে গড়ে তুলতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ইনোভেশন গ্র্যান্ট চালুর ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।
এ ছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট লোন এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনাও সরকারের এজেন্ডায় রয়েছে বলেও জানান শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফেরাতে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে একটি ‘পাবলিক ড্যাশবোর্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রকল্প অগ্রগতি, বই বিতরণ এবং ক্লাসের ঘণ্টা তদারকি করতে পারবেন নাগরিকরা।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করব না, শিক্ষা দিয়ে রাষ্ট্র গড়ব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য–সার্টিফিকেট নয়, সক্ষমতা অর্জন। সেই সক্ষমতা অর্জনেই কাজ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।”