Advertisement Banner

সমালোচিত জ্যোতিষীকে বরখাস্ত করলেন বিজয়

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
সমালোচিত জ্যোতিষীকে বরখাস্ত করলেন বিজয়
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়। ছবি: সংগৃহীত

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় জ্যোতিষী রিকি রাধন পণ্ডিত ভেট্রিভেলকে স্পেশাল ডিউটি অফিসার (ওএসডি) পদ থেকে অপসারণ করেছেন।

তামিলনাড়ু বিধানসভায় ১৪৪ টি আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার পরপরই তিনি এই আদেশ জারি করেন। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য জানা যায়।

মুখ্যমন্ত্রীর ওএসডি হিসেবে ভেট্রিভেলের নিয়োগ ঘিরে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল।

তামিলনাড়ুর ইরোডের বাসিন্দা এই জ্যোতিষী একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার অন্যতম প্রধান পরামর্শদাতা ছিলেন। তবে, কথিত আছে যে তার একটি বড় ভবিষ্যদ্বাণী না মেলায় তাদের সম্পর্কে ছেদ পড়ে।

ভেট্রিভেল নাকি জয়ললিতাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, আয়বহির্ভূত সম্পদ মামলায় তাকে জেল খাটতে হবে না। কিন্তু ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরের আদালতের রায়ে জয়ললিতার কারাদণ্ড হওয়ার পর তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এই ঘটনার পর জয়ললিতা তার সাথে পরামর্শ করা বন্ধ করে দেন এবং ভেট্রিভেল সিঙ্গাপুরে চলে যান।

এই সময়ের মধ্যেই তিনি নিজের জনপরিচিতি পুনর্গঠন করেন। নিজের পরিচিতিকে নতুন রূপ দিতে তিনি ‘রাধান পণ্ডিত ভেট্রিভেল’ নাম ধারণ করেন, যা মূলত উত্তর ভারতীয় ধাঁচের নাম এবং এর মাধ্যমে তিনি প্রবাসী ভারতীয়দের মাঝে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চেয়েছিলেন।

জন্মসূত্রে ইরোডের তামিল এবং চেন্নাইয়ের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও, তিনি প্রথমে সিঙ্গাপুর এবং পরবর্তীতে দিল্লিতে পাড়ি জমান। তার সহযোগীদের দাবি, নাম ও অবস্থানের এই পরিবর্তন ছিল জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাস এবং বৃহত্তর খ্যাতি অর্জনের একটি সুচিন্তিত প্রচেষ্টা।

এর আগে বিভিন্ন তথ্যে সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, ২০০৮ সালে দিল্লি থেকে ফেরার পর এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ভেট্রিভেল বিজয়ের রাজনৈতিক নেটওয়ার্কে প্রবেশ করেন। অভিনেতার ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে খুব দ্রুতই তার ভূমিকা লক্ষণীয় হয়ে ওঠে।

বলা হয়ে থাকে যে, তিনি বিজয়কে ‘V’ অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া কোনো নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে তিনি তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বিজয়ের বিস্ময়কর উত্থানের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

সম্পর্কিত