
মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়
বয়স বাড়লে মানসিক ক্ষমতা কমে যাওয়া খুব সাধারণ একটি বিষয়, যা বার্ধক্যের অন্যতম একটি ভীতিজনক দিক। তবে বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি কমে যাওয়া কিন্তু একেবারেই অনিবার্য নয়।
মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বপ্নের গাড়ি কেনা এখন আর দুরূহ নয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও ‘২০/১০/৪’ নিয়ম মেনে চললে বেতনের চাপ ছাড়াই পছন্দের গাড়ি কেনা সম্ভব।
গাড়ি কিনতে সাধারণত ব্যাংক ঋণ নিতে হয়। কিন্তু ডাউন পেমেন্ট, মাসিক কিস্তি ও ঋণের মেয়াদ নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলে আর্থিক সংকট দেখা দিতে পারে। এই জটিলতা এড়াতে বিশেষজ্ঞরা ২০/১০/৪ নিয়ম মানার পরামর্শ দিচ্ছেন।
‘২০/১০/৪’ নিয়ম কী
গাড়ির মোট মূল্যের ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিন। উদাহরণ: ১০ লাখ টাকার গাড়ি হলে ২ লাখ টাকা আগে পরিশোধ।
মাসিক ইএমআই যেন মাসিক আয়ের ১০ শতাংশের বেশি না হয়। যেমন: ৫০ হাজার টাকা বেতন হলে ইএমআই সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা হয়।
আর ঋণের মেয়াদ চার বছরের বেশি হওয়া উচিত নয়। এতে সুদের বোঝা কমে, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই নিয়ম সবার জন্য একরকম নয়। ব্যক্তির আয়, ব্যয়, অন্যান্য ঋণ ও জীবনযাত্রার ধরনের ওপর ভিত্তি করে এটি সামঞ্জস্য করা যেতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “এই নিয়ম মানলে গাড়ি কেনা শুধু স্বপ্ন নয়, বরং বাস্তবসম্মত ও টেকসই সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে।”
তবে ঋণ নেওয়ার আগে ব্যাংকের সুদের হার, প্রসেসিং ফি ও হিডেন চার্জ যাচাই করে নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
তথ্যসূত্র: ইটিনাওনিউজ

মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়
বয়স বাড়লে মানসিক ক্ষমতা কমে যাওয়া খুব সাধারণ একটি বিষয়, যা বার্ধক্যের অন্যতম একটি ভীতিজনক দিক। তবে বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি কমে যাওয়া কিন্তু একেবারেই অনিবার্য নয়।

সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?
ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?
অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।