চরচা ডেস্ক

সকালের চা থেকে শুরু করে মিষ্টি কিছু—প্রতিটি খাবারেরই স্বাদ যুক্ত হয় পরিশোধিত চিনির ব্যবহারে। তাই দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে এই চিনি। তবে এসব খাবারে চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যে বেশকিছু চমকপ্রদ পরিবর্তন আসতে পারে।
ভারতের ক্লাউডনাইন গ্রুপ অব হসপিটালসের ক্লিনিক্যাল পুষ্টিবিদ রক্ষিতা মেহরা সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, গুড়কে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে দেখা হলেও, পরিবর্তন আনার আগে এর উপকারিতা ও ঝুঁকি—দুটিই জানা জরুরি।
কেন গুড় চিনি থেকে ভালো?
গুড় শুধু এক ধরনের মিষ্টি নয়—এটিকে বলা চলে পুষ্টির ভাণ্ডার। পরিশোধিত চিনির মতো গুড়ে এত বেশি ক্যালরি নেই; বরং গুড়ে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম।
তাই যারা মিষ্টির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় খনিজও পেতে চান, তাদের জন্য গুড় তুলনামূলক ভালো।
এ ছাড়াও গুড়ের আরও যেসব উপকারিতা রয়েছে:
তবে এসব উপকারিতা দেখামাত্রই চিনি বাদ দিয়ে গুড় খাওয়া শুরু করার আগে পুষ্টিবিদ রক্ষিতা মেহরা বলেছেন, আরও কিছু বিষয় জানার বাকি রয়েছে। তিনি বলেন, গুড়ে যদিও চিনির তুলনায় বেশি পুষ্টি থাকে, তবুও এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক—অর্থাৎ বেশি খেলে সমস্যা হবে।
এ ছাড়া আরও কিছু বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন পুষ্টিবিদ রক্ষিতা। তার পরামর্শগুলো হলো— গুড়ের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) পরিশোধিত চিনির চেয়ে কম হলেও এটি রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে গুড় খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
তাছাড়া সব গুড় বিশুদ্ধ নয়। অনেক বাণিজ্যিক গুড়ে রাসায়নিক বা ভেজাল থাকতে পারে। তাই অর্গানিক বা প্রাকৃতিকভাবে প্রক্রিয়াজাত গুড় বাছাই করা ভালো।
পুষ্টিবিদ রক্ষিতা আরও জানান, গুড়ের কারণে আবার কারও অ্যালার্জিও হতে পারে। যাদের আখজাত পণ্যে এলার্জি আছে, গুড় খেলে তাদের হজমের সমস্যা, ত্বকে প্রতিক্রিয়া বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
পুষ্টিবিদ রক্ষিতার মতে, যাদের গুড় সীমিত পরিমাণে বা সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত, নিয়ন্ত্রণহীন রক্তশর্করাযুক্ত ডায়াবেটিস রোগী, সংবেদনশীল অন্ত্র রয়েছে, ডায়েটে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম এবং আখজাত পণ্যে অ্যালার্জি আছে–এমন ব্যক্তিদের তিনি গুড় খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
তবে চিনির তুলনায় পুষ্টিকর কোনো মিষ্টি খুঁজলে গুড় ভালো বিকল্প হতে পারে, সেক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে এবং বিশুদ্ধ গুড় খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ।

সকালের চা থেকে শুরু করে মিষ্টি কিছু—প্রতিটি খাবারেরই স্বাদ যুক্ত হয় পরিশোধিত চিনির ব্যবহারে। তাই দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে এই চিনি। তবে এসব খাবারে চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যে বেশকিছু চমকপ্রদ পরিবর্তন আসতে পারে।
ভারতের ক্লাউডনাইন গ্রুপ অব হসপিটালসের ক্লিনিক্যাল পুষ্টিবিদ রক্ষিতা মেহরা সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, গুড়কে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে দেখা হলেও, পরিবর্তন আনার আগে এর উপকারিতা ও ঝুঁকি—দুটিই জানা জরুরি।
কেন গুড় চিনি থেকে ভালো?
গুড় শুধু এক ধরনের মিষ্টি নয়—এটিকে বলা চলে পুষ্টির ভাণ্ডার। পরিশোধিত চিনির মতো গুড়ে এত বেশি ক্যালরি নেই; বরং গুড়ে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম।
তাই যারা মিষ্টির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় খনিজও পেতে চান, তাদের জন্য গুড় তুলনামূলক ভালো।
এ ছাড়াও গুড়ের আরও যেসব উপকারিতা রয়েছে:
তবে এসব উপকারিতা দেখামাত্রই চিনি বাদ দিয়ে গুড় খাওয়া শুরু করার আগে পুষ্টিবিদ রক্ষিতা মেহরা বলেছেন, আরও কিছু বিষয় জানার বাকি রয়েছে। তিনি বলেন, গুড়ে যদিও চিনির তুলনায় বেশি পুষ্টি থাকে, তবুও এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক—অর্থাৎ বেশি খেলে সমস্যা হবে।
এ ছাড়া আরও কিছু বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন পুষ্টিবিদ রক্ষিতা। তার পরামর্শগুলো হলো— গুড়ের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) পরিশোধিত চিনির চেয়ে কম হলেও এটি রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে গুড় খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
তাছাড়া সব গুড় বিশুদ্ধ নয়। অনেক বাণিজ্যিক গুড়ে রাসায়নিক বা ভেজাল থাকতে পারে। তাই অর্গানিক বা প্রাকৃতিকভাবে প্রক্রিয়াজাত গুড় বাছাই করা ভালো।
পুষ্টিবিদ রক্ষিতা আরও জানান, গুড়ের কারণে আবার কারও অ্যালার্জিও হতে পারে। যাদের আখজাত পণ্যে এলার্জি আছে, গুড় খেলে তাদের হজমের সমস্যা, ত্বকে প্রতিক্রিয়া বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
পুষ্টিবিদ রক্ষিতার মতে, যাদের গুড় সীমিত পরিমাণে বা সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত, নিয়ন্ত্রণহীন রক্তশর্করাযুক্ত ডায়াবেটিস রোগী, সংবেদনশীল অন্ত্র রয়েছে, ডায়েটে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম এবং আখজাত পণ্যে অ্যালার্জি আছে–এমন ব্যক্তিদের তিনি গুড় খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
তবে চিনির তুলনায় পুষ্টিকর কোনো মিষ্টি খুঁজলে গুড় ভালো বিকল্প হতে পারে, সেক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে এবং বিশুদ্ধ গুড় খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ।