চরচা ডেস্ক

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় যৌথ অভিযানে একটি একনলা বন্দুক, ১১টি ডেটোনেটর এবং ১১টি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আজ রোববার (২৮ জুন) ভোরে ১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যৌথ বাহিনী সোনাসার ব্রিক ফিল্ড এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একনলা বন্দুক, ১১টি ডেটোনেটর এবং ১১টি বিস্ফোরক উদ্ধার করে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
শনিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে বিজিবির জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (১৯ বিজিবি) বিয়াবাইল বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) এলাকার অধীন বড়ঠাকুরী ইউনিয়নের সোনাসার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। স্থানটি শূন্যরেখা (জিরো লাইন) থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
বিজিবির ধারণা, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হয়েছিল।
বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর সতর্কতার মাধ্যমে মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান সামগ্রী সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ ঠেকানোর চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় যৌথ অভিযানে একটি একনলা বন্দুক, ১১টি ডেটোনেটর এবং ১১টি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আজ রোববার (২৮ জুন) ভোরে ১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যৌথ বাহিনী সোনাসার ব্রিক ফিল্ড এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় একনলা বন্দুক, ১১টি ডেটোনেটর এবং ১১টি বিস্ফোরক উদ্ধার করে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
শনিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে বিজিবির জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (১৯ বিজিবি) বিয়াবাইল বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) এলাকার অধীন বড়ঠাকুরী ইউনিয়নের সোনাসার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। স্থানটি শূন্যরেখা (জিরো লাইন) থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
বিজিবির ধারণা, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাচার করা হয়েছিল।
বিজিবি জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর সতর্কতার মাধ্যমে মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান সামগ্রী সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ ঠেকানোর চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মকবুল হোসেন (৫২), তার ছেলে শাহিন আলম (৩০) এবং আরও কয়েকজন ওই বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে আবদুর রাজ্জাককে ঘুষি-লাথি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।