চরচা ডেস্ক

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগও প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।
খালেদা জিয়ার সুষ্ঠ চিকিৎসা এবং সহযোগিতার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।”
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তার সুস্বাস্থ্য দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সকলকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি নেত্রীকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষায় বুকে ‘সংক্রমণ’ ধরা পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটময়’।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগও প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।
খালেদা জিয়ার সুষ্ঠ চিকিৎসা এবং সহযোগিতার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।”
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তার সুস্বাস্থ্য দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সকলকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি নেত্রীকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষায় বুকে ‘সংক্রমণ’ ধরা পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটময়’।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।