চরচা ডেস্ক

চীনে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে বিয়ে নিবন্ধনের সংখ্যা। দেশটির জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে বিয়ের হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬.২ শতাংশ কমেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
মন্ত্রণালয় বলছে, বর্তমানে চীনে বিয়ে নিবন্ধনের হার ২০১৭ সালের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, যা দেশটির ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাগত সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।
সরকারি তথ্যমতে, বছরের প্রথম তিন মাসে চীনে মাত্র ১৬ লাখ ৯৭ হাজার বিয়ের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এই পরিসংখ্যানকে চীনের জনমিতিক চ্যালেঞ্জের একটি স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। মূলত ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর ধরে দেশটির জনসংখ্যা কমেছে এবং জন্মহার রেকর্ড পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশটিকে আরও বড় ধরনের সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
চৈনিক সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সন্তান জন্মদান এবং লালন-পালন ঐতিহাসিকভাবে বিয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অনেক ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন কিংবা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিয়ের সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে বিয়ের হার কমে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই জন্মহারে বড় প্রভাব পড়ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীন সরকার বর্তমানে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তরুণ প্রজন্মকে বিয়ে ও সন্তান গ্রহণে উৎসাহিত করতে সরকারি ভর্তুকি, শিশু লালন-পালনে সহায়তা এবং প্রসবকালীন চিকিৎসা খরচ কমানোর মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত বিয়ের এই নিম্নমুখী প্রবণতা ঠেকানো যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ক্যারিয়ারের চাপের কারণে তরুণদের মধ্যে পারিবারিক জীবনের প্রতি অনীহা তৈরি হচ্ছে, যা দেশটির দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চীনে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে বিয়ে নিবন্ধনের সংখ্যা। দেশটির জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে বিয়ের হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬.২ শতাংশ কমেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
মন্ত্রণালয় বলছে, বর্তমানে চীনে বিয়ে নিবন্ধনের হার ২০১৭ সালের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, যা দেশটির ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাগত সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।
সরকারি তথ্যমতে, বছরের প্রথম তিন মাসে চীনে মাত্র ১৬ লাখ ৯৭ হাজার বিয়ের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এই পরিসংখ্যানকে চীনের জনমিতিক চ্যালেঞ্জের একটি স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। মূলত ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর ধরে দেশটির জনসংখ্যা কমেছে এবং জন্মহার রেকর্ড পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশটিকে আরও বড় ধরনের সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
চৈনিক সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সন্তান জন্মদান এবং লালন-পালন ঐতিহাসিকভাবে বিয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অনেক ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন কিংবা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিয়ের সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে বিয়ের হার কমে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই জন্মহারে বড় প্রভাব পড়ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীন সরকার বর্তমানে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তরুণ প্রজন্মকে বিয়ে ও সন্তান গ্রহণে উৎসাহিত করতে সরকারি ভর্তুকি, শিশু লালন-পালনে সহায়তা এবং প্রসবকালীন চিকিৎসা খরচ কমানোর মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত বিয়ের এই নিম্নমুখী প্রবণতা ঠেকানো যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ক্যারিয়ারের চাপের কারণে তরুণদের মধ্যে পারিবারিক জীবনের প্রতি অনীহা তৈরি হচ্ছে, যা দেশটির দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “জান্নাতের টিকিট বিক্রয়ের যেসব অভিযোগ তারা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে উত্থাপন করেছেন, তা সর্বৈব মিথ্যা। জামায়াতের কোনো নেতা-কর্মী কখনো জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগানোর জন্য জান্নাতের টিকিট বিক্রয়ের কথা বলেননি। এ ধরনের বক্তব্য বিএনপি নেতাদের নিজস্ব মস্তিষ্ক প্রস