রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর পবা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ‘ম্যাংগো লাভার’ নামের একটি অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাতে নওহাটা কলেজ মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ঘটনাটিতে প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারী সাকিব ও তামিম আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মুরাদ আলী অভিযোগ করে জানান, তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী আশিকুর রহমান আশিকের পারিবারিক কলহ মেটাতে সাকিব, তামিম ও সুমনকে আশিকের গ্রামে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে আসার পর নওহাটা কলেজ মোড়ের অফিসে অবস্থানকালে হঠাৎ নওহাটা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ পারভেজসহ প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
মুরাদ আলীর দাবি, হামলাকারীরা অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং লকার ভেঙে ১৫ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
এ সময় হামলাকারীরা গেটের বাইরে থাকা কর্মচারী সাকিবের ওপর রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে তার কানের পাশের হাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম হয়। প্রাণনাশের আশঙ্কায় মুরাদ আলীসহ চারজন অফিসের একটি কক্ষে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পরে পুলিশের সহায়তায় তারা উদ্ধার পান।
অন্যদিকে, ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নওহাটা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ পারভেজ।
কাউন্সিলর মাসুদ পারভেজ দাবি করেন, ঘটনাটি একান্তই একটি পারিবারিক বিবাদ। নিজের ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকার সময় তিনি খবর পান যে আশিক নামের ওই কর্মী তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে গ্রামবাসী চেষ্টা করেছিলেন এবং মুরাদ আলীর কর্মীদের তিনি নিজেই এলাকা থেকে বিদায় করে দিয়েছিলেন।
মাসুদ পারভেজের অভিযোগ, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলেই তার নির্দোষিতা প্রমাণিত হবে এবং অফিসের ভাঙচুরের দৃশ্যগুলো সাজানো মনে হচ্ছে।
এ বিষয়ে পবা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা চলছে এবং তা পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পক্ষ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জেনেছি; অভিযোগ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রাজশাহীর পবা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ‘ম্যাংগো লাভার’ নামের একটি অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাতে নওহাটা কলেজ মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ঘটনাটিতে প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারী সাকিব ও তামিম আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মুরাদ আলী অভিযোগ করে জানান, তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী আশিকুর রহমান আশিকের পারিবারিক কলহ মেটাতে সাকিব, তামিম ও সুমনকে আশিকের গ্রামে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে আসার পর নওহাটা কলেজ মোড়ের অফিসে অবস্থানকালে হঠাৎ নওহাটা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ পারভেজসহ প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
মুরাদ আলীর দাবি, হামলাকারীরা অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং লকার ভেঙে ১৫ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
এ সময় হামলাকারীরা গেটের বাইরে থাকা কর্মচারী সাকিবের ওপর রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে তার কানের পাশের হাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম হয়। প্রাণনাশের আশঙ্কায় মুরাদ আলীসহ চারজন অফিসের একটি কক্ষে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পরে পুলিশের সহায়তায় তারা উদ্ধার পান।
অন্যদিকে, ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নওহাটা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ পারভেজ।
কাউন্সিলর মাসুদ পারভেজ দাবি করেন, ঘটনাটি একান্তই একটি পারিবারিক বিবাদ। নিজের ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকার সময় তিনি খবর পান যে আশিক নামের ওই কর্মী তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে গ্রামবাসী চেষ্টা করেছিলেন এবং মুরাদ আলীর কর্মীদের তিনি নিজেই এলাকা থেকে বিদায় করে দিয়েছিলেন।
মাসুদ পারভেজের অভিযোগ, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলেই তার নির্দোষিতা প্রমাণিত হবে এবং অফিসের ভাঙচুরের দৃশ্যগুলো সাজানো মনে হচ্ছে।
এ বিষয়ে পবা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা চলছে এবং তা পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পক্ষ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জেনেছি; অভিযোগ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীর লাশ ভেসে ওঠার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি দাবিকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। একই সাথে এই ভিত্তিহীন গুজবে কান না দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।