চরচা প্রতিবেদক

প্রথম ম্যাচেও ছিল একই উইকেট। তবে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সেদিন নিজেদের চেনা কন্ডিশনের সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে সেই ভুল আর করেনি স্বাগতিকরা। নাহিদ রানার ফাইফারে টার্গেট ছিল নাগালের মধ্যেই। টপ অর্ডারে শুরুতেই বিপর্যয় হলেও তানজিদ হাসান দেখালেন স্বভাবসুলভ আগ্রাসন। সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত করলেন ফিফটি। লড়াই জমাতে পারল না নিউজিল্যান্ড, সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ (১-১)।
১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ দল অবশ্য শুরুতে আভাস দিয়েছিল প্রথম ম্যাচের ভুলের পুনরাবৃত্তির। প্রথম ওভারেই দুই চার মেরে ৮ রানে বোল্ড হয়ে যান সাইফ হাসান। এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা সৌম্য তিন নম্বরে নেমে মাত্র ১১ বলের এক ইনিংসে তুলে ধরেন তার গোটা ক্যারিয়ারের একটি ক্লাসিক প্রদর্শনী।
দেখেশুনে শুরু করা সৌম্য উইলিয়াম ও’রউর্কের অফ স্টাম্পের বাইরের ফুলার লেন্থের ডেলিভারিতে ম্যাচের ধারার বিপরীতে মেরে বসেন ছক্কা। জায়গায় দাঁড়িয়ে নিখুঁত টাইমিংয়ে মিড-অন দিয়ে পার করেন সীমানা। অমন একটা বাঁধিয়ে রাখা শট খেলা ব্যাটসম্যানই একই ওভারে নিজের উইকেট স্রেফ উপহার দিয়ে আসেন। পছন্দের ‘পেরিস্কুপ’ শট খেলতে গিয়ে স্লিপে তুলে দেন সহজ এক ক্যাচ। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে করতে পারেন মোটে ৮ রান।
তবে এবার আর নিউজিল্যান্ডের বোলারদের চেপে ধরার সুযোগ দেননি তানজিদ। পাল্টা আক্রমণে এলোমেলো করে দেন তাদের। পঞ্চম ওভারে টানা দুই বলে নাথান স্মিথকে ওড়ান ছক্কায়, দুটিই ছিল দেখার মতো শট।
এক ধাপ নেমে চার নম্বরে ব্যাট করা শান্তও ইতিবাচক ব্যাটিং করেন। ক্রিজে গিয়েই মারেন এক ওভারে দুই বাউন্ডারি। সেখান থেকে দুই প্রান্তে দুই ব্যাটার মিলে রানের গতি এগিয়ে নেন দ্রুততার সঙ্গে। তানজিদ ছিলেন এগিয়ে, যার ফলশ্রুতিতে মাত্র ৩৩ বলেই করে ফেলেন ফিফটি।

প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের দুই স্পিনার আর মিডিয়াম পেসাররা মিলে মাঝের ওভারগুলোতে বেশ চাপ তৈরি করেছিলেন। তবে এই ম্যাচে তানজিদ ও শান্ত মিলে তাদের উল্টো চাপে রাখেন। ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে বার বার খেলে নষ্ট করে দিয়েছেন প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা। ১০২ বলে ১১১ রানের জুটিতে তারা বড় জয়ের ভিত রচনা করে দেন। তানজিদ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তাতে সেঞ্চুরি মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তবে অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে ডেকে আনেন বিপদ। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে আগের বলেই জেডেন লেনক্সকে মেরেছিলেন ছক্কা। পরের বলেও একই চেষ্টা করেছিলেন। তবে ফ্লাইটেড ডেলিভারিতে পারেননি ব্যাটে-বলে করতে। শেষ হয় ৫৮ বলে ৭৮ রানের ইনিংস, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কার মার।
এরপর উচ্চাভিলাষী শট খেলতে গিয়ে লেনক্সের বলেই বিদায় নিতে হয় লিটনকে (৭ রান)। শান্ত গরমের মধ্যে ব্যাটিং করার ক্লান্তিতেই কিনা, ধীরগতিতে ইনিংস টেনে নেন এরপর। ক্র্যাম্পের শিকার হয়ে একবার চিকিৎসা নিয়ে কোনোভাবে ফিফটি করেই ছেড়ে যান মাঠ (৫০ রান)।
এরপর অনায়াসেই বাকি আনুষ্ঠানিকতা সারেন তাওহীদ হৃদয় (৩০*) ও মেহেদি হাসান মিরাজ (৬*) মিলে। ৩৫.৩ ওভারেই মেলে ৬ উইকেটের জয়।
এর আগে দিনের শুরুতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা নিউজিল্যান্ডকে একাই ধসিয়ে দেন নাহিদ রানা। গতিময় এই পেসার মাত্র ৩২ রানে নেন ৫ উইকেট, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার। সঙ্গে অন্য বোলারদের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে কিউইরা গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানেই।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হবে আগামী ২৩ এপ্রিল, চট্টগ্রামে।

প্রথম ম্যাচেও ছিল একই উইকেট। তবে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সেদিন নিজেদের চেনা কন্ডিশনের সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে সেই ভুল আর করেনি স্বাগতিকরা। নাহিদ রানার ফাইফারে টার্গেট ছিল নাগালের মধ্যেই। টপ অর্ডারে শুরুতেই বিপর্যয় হলেও তানজিদ হাসান দেখালেন স্বভাবসুলভ আগ্রাসন। সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত করলেন ফিফটি। লড়াই জমাতে পারল না নিউজিল্যান্ড, সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ (১-১)।
১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ দল অবশ্য শুরুতে আভাস দিয়েছিল প্রথম ম্যাচের ভুলের পুনরাবৃত্তির। প্রথম ওভারেই দুই চার মেরে ৮ রানে বোল্ড হয়ে যান সাইফ হাসান। এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা সৌম্য তিন নম্বরে নেমে মাত্র ১১ বলের এক ইনিংসে তুলে ধরেন তার গোটা ক্যারিয়ারের একটি ক্লাসিক প্রদর্শনী।
দেখেশুনে শুরু করা সৌম্য উইলিয়াম ও’রউর্কের অফ স্টাম্পের বাইরের ফুলার লেন্থের ডেলিভারিতে ম্যাচের ধারার বিপরীতে মেরে বসেন ছক্কা। জায়গায় দাঁড়িয়ে নিখুঁত টাইমিংয়ে মিড-অন দিয়ে পার করেন সীমানা। অমন একটা বাঁধিয়ে রাখা শট খেলা ব্যাটসম্যানই একই ওভারে নিজের উইকেট স্রেফ উপহার দিয়ে আসেন। পছন্দের ‘পেরিস্কুপ’ শট খেলতে গিয়ে স্লিপে তুলে দেন সহজ এক ক্যাচ। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে করতে পারেন মোটে ৮ রান।
তবে এবার আর নিউজিল্যান্ডের বোলারদের চেপে ধরার সুযোগ দেননি তানজিদ। পাল্টা আক্রমণে এলোমেলো করে দেন তাদের। পঞ্চম ওভারে টানা দুই বলে নাথান স্মিথকে ওড়ান ছক্কায়, দুটিই ছিল দেখার মতো শট।
এক ধাপ নেমে চার নম্বরে ব্যাট করা শান্তও ইতিবাচক ব্যাটিং করেন। ক্রিজে গিয়েই মারেন এক ওভারে দুই বাউন্ডারি। সেখান থেকে দুই প্রান্তে দুই ব্যাটার মিলে রানের গতি এগিয়ে নেন দ্রুততার সঙ্গে। তানজিদ ছিলেন এগিয়ে, যার ফলশ্রুতিতে মাত্র ৩৩ বলেই করে ফেলেন ফিফটি।

প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের দুই স্পিনার আর মিডিয়াম পেসাররা মিলে মাঝের ওভারগুলোতে বেশ চাপ তৈরি করেছিলেন। তবে এই ম্যাচে তানজিদ ও শান্ত মিলে তাদের উল্টো চাপে রাখেন। ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে বার বার খেলে নষ্ট করে দিয়েছেন প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা। ১০২ বলে ১১১ রানের জুটিতে তারা বড় জয়ের ভিত রচনা করে দেন। তানজিদ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তাতে সেঞ্চুরি মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তবে অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে ডেকে আনেন বিপদ। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে আগের বলেই জেডেন লেনক্সকে মেরেছিলেন ছক্কা। পরের বলেও একই চেষ্টা করেছিলেন। তবে ফ্লাইটেড ডেলিভারিতে পারেননি ব্যাটে-বলে করতে। শেষ হয় ৫৮ বলে ৭৮ রানের ইনিংস, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কার মার।
এরপর উচ্চাভিলাষী শট খেলতে গিয়ে লেনক্সের বলেই বিদায় নিতে হয় লিটনকে (৭ রান)। শান্ত গরমের মধ্যে ব্যাটিং করার ক্লান্তিতেই কিনা, ধীরগতিতে ইনিংস টেনে নেন এরপর। ক্র্যাম্পের শিকার হয়ে একবার চিকিৎসা নিয়ে কোনোভাবে ফিফটি করেই ছেড়ে যান মাঠ (৫০ রান)।
এরপর অনায়াসেই বাকি আনুষ্ঠানিকতা সারেন তাওহীদ হৃদয় (৩০*) ও মেহেদি হাসান মিরাজ (৬*) মিলে। ৩৫.৩ ওভারেই মেলে ৬ উইকেটের জয়।
এর আগে দিনের শুরুতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা নিউজিল্যান্ডকে একাই ধসিয়ে দেন নাহিদ রানা। গতিময় এই পেসার মাত্র ৩২ রানে নেন ৫ উইকেট, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার। সঙ্গে অন্য বোলারদের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে কিউইরা গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানেই।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হবে আগামী ২৩ এপ্রিল, চট্টগ্রামে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো.তৌফিক আলম বলেন, “যে নিয়মে শিক্ষকেরা পদোন্নতি চাচ্ছেন, তাতে ইউজিসির আপত্তি আছে। ইউজিসি বলেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিন্ন নীতিমালায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে হবে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত পত্র দিয়েছে ইউজিসি।”