চরচা ডেস্ক

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১০টি গ্রামের ৫০ জনেরও বেশি মানুষ বছরের পর বছর ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। বন্যার পানিতে একটি সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ার পর প্রতিদিন একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, এ ছাড়া তিস্তা নদীর ভাঙনে সংযোগ সড়ক বিলীন হয়ে যাওয়ায় বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপীডাঙ্গা মৌলভীবাজারের কংক্রিটের সেতুটি যানবাহনের জন্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। সেতুটি একদিকে বেশ ঝুঁকেও পড়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এই কংক্রিটের সেতুটি নির্মাণ করেছিল।
তবে নির্মাণের কয়েক বছর পরই তিস্তা নদীর বন্যার পানিতে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেসে যায়।
কর্তৃপক্ষ কোনো সংস্কার কাজ না করায় যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখতে স্থানীয় বাসিন্দারাই কাঠ ও বাঁশের একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেন। এরপর থেকে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যাটারিচালিত অটো রিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়িসহ হাজার হাজার যাত্রী এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করছেন।
বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সেতুতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং রাতে চলাচল করা আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। তারা বলেন, সেতু পুনর্নির্মাণ ও সংযোগ সড়কের সংস্কারের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানিয়ে কেবল আশ্বাসই মিলেছে।
বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান জানান, ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এই পারাপারের ওপর নির্ভরশীল।
ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী বলেন, একটি নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিতে একাধিক প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মনি রুল ইসলাম জানান, নতুন সেতুর একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘প্রকল্পটি এখন ডিজাইন বা নকশা তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি শিগগিরই দরপত্র (টেন্ডার) অনুমোদন পাবে এবং তার পরপরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।’’

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১০টি গ্রামের ৫০ জনেরও বেশি মানুষ বছরের পর বছর ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। বন্যার পানিতে একটি সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ার পর প্রতিদিন একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, এ ছাড়া তিস্তা নদীর ভাঙনে সংযোগ সড়ক বিলীন হয়ে যাওয়ায় বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপীডাঙ্গা মৌলভীবাজারের কংক্রিটের সেতুটি যানবাহনের জন্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। সেতুটি একদিকে বেশ ঝুঁকেও পড়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এই কংক্রিটের সেতুটি নির্মাণ করেছিল।
তবে নির্মাণের কয়েক বছর পরই তিস্তা নদীর বন্যার পানিতে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেসে যায়।
কর্তৃপক্ষ কোনো সংস্কার কাজ না করায় যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখতে স্থানীয় বাসিন্দারাই কাঠ ও বাঁশের একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেন। এরপর থেকে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যাটারিচালিত অটো রিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়িসহ হাজার হাজার যাত্রী এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করছেন।
বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সেতুতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং রাতে চলাচল করা আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। তারা বলেন, সেতু পুনর্নির্মাণ ও সংযোগ সড়কের সংস্কারের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানিয়ে কেবল আশ্বাসই মিলেছে।
বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান জানান, ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এই পারাপারের ওপর নির্ভরশীল।
ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী বলেন, একটি নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিতে একাধিক প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মনি রুল ইসলাম জানান, নতুন সেতুর একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘প্রকল্পটি এখন ডিজাইন বা নকশা তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি শিগগিরই দরপত্র (টেন্ডার) অনুমোদন পাবে এবং তার পরপরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।’’

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যে থাইল্যান্ডে ব্যক্তিগত সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ শুক্রবার সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১-এর সহকারী পরিচালক মো. রাশেদ মিজানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।