সিলেট প্রতিনিধি

পাইকারি ও খুচরা দামের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকবেই উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, তবে সেই ব্যবধান যেন অগ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না যায়, সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
আজ সোমবার সকালে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নে কাদিরপুর–চম্পাতলী খালের পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি কাজ শুরু করবে। ঈদের পর এই কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের দেশে আমদানির পরিমাণ রপ্তানির তুলনায় বেশি। তবে ভবিষ্যতে এ ঘাটতি কমাতে সরকার কাজ করবে।
সৌদি আরব থেকে জ্বালানি তেল আমদানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সরকার চুক্তির বাইরে নয়, বরং স্পট মার্কেট থেকে তেল কিনেছে।
এর আগে দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাদিরপুর–চম্পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ সময় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকারি ও খুচরা দামের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকবেই উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, তবে সেই ব্যবধান যেন অগ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না যায়, সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
আজ সোমবার সকালে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নে কাদিরপুর–চম্পাতলী খালের পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি কাজ শুরু করবে। ঈদের পর এই কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের দেশে আমদানির পরিমাণ রপ্তানির তুলনায় বেশি। তবে ভবিষ্যতে এ ঘাটতি কমাতে সরকার কাজ করবে।
সৌদি আরব থেকে জ্বালানি তেল আমদানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সরকার চুক্তির বাইরে নয়, বরং স্পট মার্কেট থেকে তেল কিনেছে।
এর আগে দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাদিরপুর–চম্পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ সময় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত অনুযায়ী, হামলার কয়েক মাস আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংবাদমাধ্যমগুলোকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ ও ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে হামলার ডাক দেওয়া হচ্ছিল। মেটা-কে এসব ক্ষতিকারক পোস্ট সরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সতর্ক করলেও তারা ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।