বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ভিত্তি। একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই থাকবে না।’
তিনি বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের পর দেশে যে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দলসহ সবাইকে একসঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’
আজ সোমবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাম দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে হবে।’
সংবাদ সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
সাক্ষাৎকালে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। পাশাপাশি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা।
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে বাম দলগুলোর নেতারা জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ সময় বাসদ-এর সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘উনি (তারেক রহমান) একটা জিনিস বলছেন, আমি তো ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পরেই আমি বক্তব্যে যেটা বলছি যে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ হলো আমাদের ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকে না। কাজেই সেটা ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা সেগুলোকে ধরেই আমাদেরকে অগ্রসর হতে হবে।’