চরচা ডেস্ক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
স্বররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনকে সুষ্ঠু, গ্রহনযোগ্য ও নিরপেক্ষ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচনে পুলিশের স্বাধীনভাবে কাজ করার প্রসঙ্গে জানান, পুলিশ কমিশনের জন্য আলাদা অধ্যাদেশ করবে সরকার।
নির্বাচনে পুলিশ যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্টের পর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে কাজ চলছে। তবে, পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু এলাকা ঝুকিপূর্ণ থাকায় সেখানকার সব অস্ত্র উদ্ধার না ও হতে পারে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
স্বররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনকে সুষ্ঠু, গ্রহনযোগ্য ও নিরপেক্ষ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচনে পুলিশের স্বাধীনভাবে কাজ করার প্রসঙ্গে জানান, পুলিশ কমিশনের জন্য আলাদা অধ্যাদেশ করবে সরকার।
নির্বাচনে পুলিশ যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্টের পর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে কাজ চলছে। তবে, পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু এলাকা ঝুকিপূর্ণ থাকায় সেখানকার সব অস্ত্র উদ্ধার না ও হতে পারে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।