দেশ ছাড়ার আগে বলেছিলেন, কাউন্টি অভিষেকে পাঁচ উইকেট নিতে চান। কেন্টের হয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে সেই কথা রেখেছেন হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশি এই পেসার ম্যাচে নিয়েছেন ৯ উইকেট। তাতে সমর্থকদের ভোটে কেন্টের ম্যাচসেরার খেতাব জিতেছেন হাসান।
চরচাকে সেই অনুভূতি জানিয়ে মুঠোফোন বার্তায় হাসান মাহমুদ বলেছেন, “এটা দারুণ ব্যাপার। পাঁচ উইকেট নিয়েছি, দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরেছি, এর চেয়ে বেশি কিছু আর চাওয়ার ছিল না। কাউন্টি ক্রিকেট শেখার মঞ্চ। আমি তাই এখানে খেলে বোলার হিসেবে নিজেকে যতটা পারি, সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করব।”
দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেট খেলছেন হাসান। সব মিলিয়ে অন্তত পাঁচ ম্যাচের জন্য তার সঙ্গে চুক্তি করেছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। সেই পথচলায় তার সূচনাটা স্বপ্নময় হয়েছে।
প্রথম ইনিংসে অবশ্য প্রতিপক্ষ মাত্র ৮৭ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় খুব বেশি কিছু করার সুযোগ পাননি। অল্প সময়েই অবশ্য ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন, যেখানে ছিল ইংলিশ কন্ডিশনের জন্য আদর্শ কয়েকটি ডেলিভারি।
ব্যাট হাতে অপরাজিত ৮ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে হাসান হাজির হন সেরা ছন্দে। ৪২৪ রানের টার্গেটে এক পর্যায়ে ৪ উইকেটে ২৫৩ রান ছিল ল্যাঙ্কাশায়ারের। তবে ডানহাতি এই পেসার আক্রমণে এসেই ভেঙে দেন দলটির সব প্রতিরোধ।
মাত্র ৬৯ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারকে ২৮৩ রানে অলআউট করার রাখেন বড় ভূমিকা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এর আগে ইনিংসে ছয় উইকেট ছিল না হাসানের। ম্যাচে ১০১ রানে ৯ উইকেট তার প্রাপ্তি, যা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও তার ক্যারিয়ার সেরা।
কেন্টের ১৪০ রানে জয়ে হাসানের এই ভূমিকা মনে ধরেছে কেন্ট সমর্থকদের। ক্লাবটি ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে একটা ভোটাভুটির আয়োজন করেছিল। সেখানে সর্বোচ্চ ৭৩% ভোট পেয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার।