চরচা প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং ভর্তুকির বাড়তি চাপ সামাল দিতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় বা বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
আজ মঙ্গলবার ধানমন্ডি সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এই সুপারিশ তুলে ধরেন।
দেবপ্রিয় বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারকে একটি কঠোর রোডম্যাপ নিয়ে এগোতে হবে।”
সিপিডির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় প্রায় ৪.৮৮ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা দেশের মোট জিডিপির প্রায় ১.১ শতাংশ। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে এবং টাকার মানও দুর্বল হচ্ছে বলেও জানায় সিপিডি।
সংস্থাটি জানায়, বর্তমানে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওপর প্রায় ৩২ শতাংশ কর বিদ্যমান। সরকারের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো, রাজস্ব ধরে রাখতে এই কর বজায় রাখা নাকি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তা কমানো। তবে ভর্তুকির চাপ কমাতে আংশিক মূল্যবৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছে সিপিডি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিদ্যুৎ খাতে বর্তমানে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, যা সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনার জন্য বড় ঝুঁকি।
রাজস্ব বাড়াতে করের হার বাড়ানোর বদলে করের আওতা বাড়ানোর সুপারিশও করেছে সিপিডি। দেবপ্রিয় বলেন, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে রাজস্ব প্রশাসনে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।
এছাড়া, বছরের পর বছর ঝুলে থাকা অকার্যকর উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে ‘জম্বি প্রজেক্ট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সেগুলো বাজেট থেকে বাদ দেওয়ার আহ্বানও জানান তারা।
সিপিডি বর্তমান অর্থনীতির সামনে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে–ভর্তুকির চাপ, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যহীনতা এবং বিনিময় হারের অস্থিরতা।
সংস্থাটির মতে, আসন্ন বাজেটকে পুরোপুরি সংস্কারমুখী ও বাস্তবভিত্তিক করা না গেলে অর্থনীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং ভর্তুকির বাড়তি চাপ সামাল দিতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় বা বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
আজ মঙ্গলবার ধানমন্ডি সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এই সুপারিশ তুলে ধরেন।
দেবপ্রিয় বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারকে একটি কঠোর রোডম্যাপ নিয়ে এগোতে হবে।”
সিপিডির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় প্রায় ৪.৮৮ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা দেশের মোট জিডিপির প্রায় ১.১ শতাংশ। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে এবং টাকার মানও দুর্বল হচ্ছে বলেও জানায় সিপিডি।
সংস্থাটি জানায়, বর্তমানে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওপর প্রায় ৩২ শতাংশ কর বিদ্যমান। সরকারের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো, রাজস্ব ধরে রাখতে এই কর বজায় রাখা নাকি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তা কমানো। তবে ভর্তুকির চাপ কমাতে আংশিক মূল্যবৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছে সিপিডি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিদ্যুৎ খাতে বর্তমানে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, যা সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনার জন্য বড় ঝুঁকি।
রাজস্ব বাড়াতে করের হার বাড়ানোর বদলে করের আওতা বাড়ানোর সুপারিশও করেছে সিপিডি। দেবপ্রিয় বলেন, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে রাজস্ব প্রশাসনে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।
এছাড়া, বছরের পর বছর ঝুলে থাকা অকার্যকর উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে ‘জম্বি প্রজেক্ট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সেগুলো বাজেট থেকে বাদ দেওয়ার আহ্বানও জানান তারা।
সিপিডি বর্তমান অর্থনীতির সামনে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে–ভর্তুকির চাপ, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যহীনতা এবং বিনিময় হারের অস্থিরতা।
সংস্থাটির মতে, আসন্ন বাজেটকে পুরোপুরি সংস্কারমুখী ও বাস্তবভিত্তিক করা না গেলে অর্থনীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।

সারা দেশে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ঢাকাসহ সব মহানগরের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইনে ক্লাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, বোর্ড কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।