চরচা প্রতিবেদক

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগারে থাকা বন্দীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগে সীমিত সাড়া মিলেছে। দেশের ৭৫টি কারাগারে থাকা মোট ৮৪ হাজার ৪০০ বন্দীর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশই সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে আগ্রহ দেখাননি। এবার ৫৬ ভিআইপি বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট বন্দীর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার ২৪০ জন পোস্টাল ব্যালটের জন্য নির্ধারিত অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৫ হাজার ৯২০ জনকে চূড়ান্ত ভোটার হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ৫ হাজার ৬৭ জন বন্দী।
কারাগারসমূহে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম কয়েকদিন ধরে সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১ হাজার ৫২১ জন, ৪ ফেব্রুয়ারি ৯৮৮ জন, ৫ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ১৩৮ জন, ৬ ফেব্রুয়ারি ৪২০ জন, ৭ ফেব্রুয়ারি ৪৭১ জন, ৮ ফেব্রুয়ারি ২৯৫ জন এবং ৯ ফেব্রুয়ারি ২৩৪ জন বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান করেন। সব মিলিয়ে দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট ৫ হাজার ৬৭ জন বন্দী এই পদ্ধতিতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
এর মধ্যে নারী বন্দী ভোট দিয়েছেন ১৯৮ জন। সেইসঙ্গে ভিআইপি বন্দী ভোট দিয়েছেন ৫৬ জন।
কারা কর্মকর্তারা জানান, বন্দীদের ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে যুক্ত কারা সদস্যদের আগেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার, প্রিন্টার, ইন্টারনেটসহ অন্যান্য সরঞ্জাম রয়েছে কি না—তা জেলা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কারাগারের ভেতরে ভোট দেওয়ার জন্য গোপন কক্ষ ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে খামগুলো সুরক্ষিতভাবে সংগ্রহ করে ডাক বিভাগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ বলেন, ‘‘দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগারে থাকা বন্দীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা ব্যাপক প্রচার চালিয়েছি এবং তিন সপ্তাহ অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ রেখেছিলাম। এরপরও অধিকাংশ বন্দী ভোটে অংশ নিতে আগ্রহ দেখাননি। তবে যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের জন্য স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই অংশগ্রহণ আরও বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।”
তিনি আরও বলেন, ‘‘এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্দীদের সাংবিধানিক অধিকার চর্চার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।”

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগারে থাকা বন্দীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগে সীমিত সাড়া মিলেছে। দেশের ৭৫টি কারাগারে থাকা মোট ৮৪ হাজার ৪০০ বন্দীর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশই সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে আগ্রহ দেখাননি। এবার ৫৬ ভিআইপি বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট বন্দীর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার ২৪০ জন পোস্টাল ব্যালটের জন্য নির্ধারিত অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৫ হাজার ৯২০ জনকে চূড়ান্ত ভোটার হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ৫ হাজার ৬৭ জন বন্দী।
কারাগারসমূহে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম কয়েকদিন ধরে সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১ হাজার ৫২১ জন, ৪ ফেব্রুয়ারি ৯৮৮ জন, ৫ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ১৩৮ জন, ৬ ফেব্রুয়ারি ৪২০ জন, ৭ ফেব্রুয়ারি ৪৭১ জন, ৮ ফেব্রুয়ারি ২৯৫ জন এবং ৯ ফেব্রুয়ারি ২৩৪ জন বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান করেন। সব মিলিয়ে দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট ৫ হাজার ৬৭ জন বন্দী এই পদ্ধতিতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
এর মধ্যে নারী বন্দী ভোট দিয়েছেন ১৯৮ জন। সেইসঙ্গে ভিআইপি বন্দী ভোট দিয়েছেন ৫৬ জন।
কারা কর্মকর্তারা জানান, বন্দীদের ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে যুক্ত কারা সদস্যদের আগেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার, প্রিন্টার, ইন্টারনেটসহ অন্যান্য সরঞ্জাম রয়েছে কি না—তা জেলা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কারাগারের ভেতরে ভোট দেওয়ার জন্য গোপন কক্ষ ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে খামগুলো সুরক্ষিতভাবে সংগ্রহ করে ডাক বিভাগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ বলেন, ‘‘দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগারে থাকা বন্দীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা ব্যাপক প্রচার চালিয়েছি এবং তিন সপ্তাহ অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ রেখেছিলাম। এরপরও অধিকাংশ বন্দী ভোটে অংশ নিতে আগ্রহ দেখাননি। তবে যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের জন্য স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই অংশগ্রহণ আরও বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।”
তিনি আরও বলেন, ‘‘এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্দীদের সাংবিধানিক অধিকার চর্চার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।”