চরচা প্রতিবেদক

সংবিধান সংস্কারে ত্রয়োদশ সংসদকে ১৮০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এ সময় ২৭০ দিন করার সুপারিশ করেছিল।
আজ বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এই সময়ের কথা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে গণভোটে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে পড়ে তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই প্রতিনিধিরা একইসঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে।
গত ২৮ অক্টোবর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ একযোগে জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবে, তবে সংস্কার পরিষদের মেয়াদ হবে ২৭০ দিন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিষদ তার দায়িত্ব শেষ করতে না পারে, তাহলে গণভোটে গৃহীত বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক বছর আলোচনা করে রাষ্ট্র সংস্কারে যেসব উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার সম্বলিত জুলাই জাতীয় সনদ গত ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত হয়।

সংবিধান সংস্কারে ত্রয়োদশ সংসদকে ১৮০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এ সময় ২৭০ দিন করার সুপারিশ করেছিল।
আজ বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এই সময়ের কথা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে গণভোটে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে পড়ে তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই প্রতিনিধিরা একইসঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে।
গত ২৮ অক্টোবর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ একযোগে জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবে, তবে সংস্কার পরিষদের মেয়াদ হবে ২৭০ দিন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিষদ তার দায়িত্ব শেষ করতে না পারে, তাহলে গণভোটে গৃহীত বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক বছর আলোচনা করে রাষ্ট্র সংস্কারে যেসব উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার সম্বলিত জুলাই জাতীয় সনদ গত ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত হয়।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।